সাকিব ফিরলে কপাল পুড়বে কার?

রাজনৈতিক টানাপোড়েনে দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা সাকিব আল হাসানকে দলে ফেরানো নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শনিবার বিসিবি পরিচালকদের সভা শেষে সাকিবকে দলে ফেরার সবুজ সংকেত দেয় বিসিবি।

রাজনৈতিক টানাপোড়েনে দীর্ঘদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা সাকিব আল হাসানকে দলে ফেরানো নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শনিবার বিসিবি পরিচালকদের সভা শেষে সাকিবকে দলে ফেরার সবুজ সংকেত দেয় বিসিবি।

২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ধীরে ধীরে সরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা ছিল সাকিবের। তবে রাজনৈতিক বাস্তবতা ও নিরাপত্তাজনিত জটিলতায় দেশের মাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট খেলে বিদায় নেওয়ার সেই ইচ্ছা পূরণ হয়নি। ফলে কানপুর টেস্টের পর জাতীয় দলের জার্সিতে আর মাঠে নামা হয়নি বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডারের।

জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও ক্রিকেট থেকে দূরে যাননি সাকিব। ২০২৪ সালে কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি লিগে খেলেছেন, যেখানে ছয় ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে ৭০ রান। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ ক্রিকেটে আট ম্যাচে করেন ৬২ রান। সবশেষ আইএল টি-টোয়েন্টিতে এমআই এমিরেটসের হয়ে খেললেও প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স ধরা দেয়নি।

এখন প্রশ্ন হলো, সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে যদি বাংলাদেশের জার্সি গায়ে মাঠে ফেরেন সাকিব, তবে কার পরিবর্তে দলে ফিরতে যাচ্ছেন।

সাকিবের অবস্থানটায় বর্তমানে নিয়মিতভাবে খেলছেন শামীম পাটোয়ারী। বোলিংয়ের কথা বললে দলে রয়েছেন বাহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। উভয়েই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) পারফর্ম করেছেন। ১২ ম্যাচে ১৮ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ছিলেন নাসুম।

সেক্ষেত্রে সাকিব যদি দলে ফেরেন, তাহলে লিটন দাশের গড়া এই দলে কার পরিবর্তে তাকে খেলানো হবে সেটাও এখন আলোচনার বিষয়। লিগে পারফর্ম করা খেলোয়াড়দের বাদ দিয়ে ফর্মহীন সাকিবকে দলে নিতে সংশয় থাকতেই পারে অধিনায়ক কিংবা কোচের।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link