বিসিসিআই সভাপতির চেয়ারে আসছেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার?

বোর্ডের অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, ক্রিকেটারদের নেতৃত্বে আস্থা রাখছে বর্তমান প্রশাসন। সৌরভ ও বিনির পর এবারও যদি কোনো রেকর্ডবুক ভাঙা কিংবদন্তি দায়িত্ব নেন, তবে সেটি হবে এই ধারাবাহিকতার স্বাভাবিক অগ্রগতি।

সাবেক ক্রিকেটার কিংবা সাবেক অধিনায়কদেরই এখন বোর্ড সভাপতি হওয়ার রেওয়াজ। বিশেষ করে উপমহাদেশে। সেই ধারাবাহিকতায়, ভারতীয় ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিসিআইয়ের সভাপতির চেয়ারে আসছেন আরেকজন কিংবদন্তি ক্রিকেটার।

ভারতের ক্রিকেট প্রশাসনে আবারও আসছে নেতৃত্ব পরিবর্তনের হাওয়া। মাসের শেষ সপ্তাহেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) বার্ষিক সাধারণ সভা। সেই সভায় বোর্ডের শীর্ষ পদগুলো চূড়ান্ত হবে। এর মধ্যে বোর্ড সভাপতি, সচিব, সহ-সভাপতি, যুগ্ম সচিব, কোষাধক্ষ্য ও আইপিএল চেয়ারম্যানের মত গুরুত্বপূর্ণ পদও আছে।

এরই মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে সভাপতি পদ। কারণ, ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, এবারও সভাপতি হিসেবে বিবেচনায় আছেন ভারতীয় ক্রিকেট ইতিহাসের এক কিংবদন্তি ব্যাটার—যিনি মাঠে অসংখ্য রেকর্ড গড়ে ভারতকে এনে দিয়েছেন গর্বের সব মুহূর্ত। নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হয়নি, তবে সম্ভাব্য প্রার্থীর পরিচয় ঘিরে ক্রিকেট মহলে জোর গুঞ্জন চলছে।

২০১৯ সালে এই ট্রেন্ডের সূচনা করেছিলেন সাবেক ভারত অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলি। এরপর ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী রজার বিনি বিসিসিআই সভাপতির দায়িত্ব নিয়েছিলেন। সম্প্রতি বয়সসীমার কারণে রজার বিনি পদ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। বোর্ডের সংবিধান অনুযায়ী, ৭০ বছর বয়সের পর আর কোনো কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকতে পারবেন না।

রজার বিনির ফাঁকা চেয়ার দখল করবেন কে? উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে—প্রশাসনে কে আসবেন, সেই প্রশ্নই এখন সকলের চোখে মুখে। কাকে বেছে নেওয়া হবে, সেদিকে শুধু বোর্ড বা ভারতের নয়—পুরো ক্রিকেটবিশ্বের নজরে থাকবে।

বোর্ডের অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, ক্রিকেটারদের নেতৃত্বে আস্থা রাখছে বর্তমান প্রশাসন। সৌরভ ও বিনির পর এবারও যদি কোনো রেকর্ডবুক ভাঙা কিংবদন্তি দায়িত্ব নেন, তবে সেটি হবে এই ধারাবাহিকতার স্বাভাবিক অগ্রগতি।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link