শ্রীলঙ্কা অলআউট ৮০ রানে! টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন সংগ্রহ ২০১৪ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দলের। জিম্বাবুয়ের মাটিতে বিপাকে চারিথ আসালাঙ্কার দল। এটা কি তবে এশিয়া কাপে ভরাডুবির পূর্বাভাস?
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। জিম্বাবুয়ের নিমন্ত্রণে প্রথমে ব্যাটিং করে শ্রীলঙ্কা। সেই নিমন্ত্রণে ছিল না কোন প্রকার সৌহার্দ্য। বরং জিম্বাবুয়ের বোলাররা লঙ্কান ব্যাটারদের ফেলেছেন অস্বস্তির অম্লজলে, বিশেষ করে সিকান্দার রাজা। চার ওভারে তার খরচা মাত্র ১১ রান। বিনিময়ে সফরকারীদের তিনজন ব্যাটারকে নিজের শিকারে পরিণত করেছেন সিকান্দার রাজা।
রাজার সাথে তাল মিলিয়ে উইকেট শিকারের মহাযজ্ঞে নেমে পড়েন ব্রাড ইভান্সও, তিন উইকেট শিকারে তার খরচ ১৫ রান। ব্লেসিং মুজারাবানির পকেটে গিয়েছে আরও দুইটি উইকেট। পাথুম নিসাঙ্কা, চারিথ আসালাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস, কামিন্দু মেন্ডিস- এত ভারি ভারি সব নাম পলকা হয়ে হাওয়ার সাথে উড়েছে তুলোর মত করে।

দুই অংকের সংগ্রহ গড়েছেন স্রেফ তিনজন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ২০ রান কামিল মিশ্রার। তাতে করে নিজেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানে অলআউট হয়েছে শ্রীলঙ্কা। ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বনিম্ন ৭৭ রানে অলআউটের রেকর্ডটি গড়েছিল শ্রীলঙ্কা, প্রতিপক্ষ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এর আগে ২০১৬ সালে ৮২ রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ডটি ছিল সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড।
তবে এই ৮১ রানের স্বল্প লক্ষ্য যে খুব সহজেই উৎরে যেতে পেরেছে জিম্বাবুয়ে, তা কিন্তু নয়। দুশমন্থ চামিরার বোলিং তোপে জিম্বাবুয়েরও প্রায় নাভিশ্বাস উঠে যাওয়ার উপক্রম। যদিও ৮১ রানের লক্ষ্য বড্ড মামুলি। তাই আর শ্রীলঙ্কা সিকান্দার রাজাদের আটকে রাখতে পারেনি।রায়ান বার্ল ও তাশিঙ্গা মুসেকিওয়া দলের তরী সতর্কতার সাথে জয়ের বন্দরে ভিড়িয়েছেন।
পাঁচ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে জিম্বাবুয়ে। সিরিজে সমতায় ফেরার ম্যাচে তাদের হাতে বাকি ছিল ৩৪ বল। এতে করে সিরিজের শেষ ম্যাচটি পরিণত হল অলিখিত ফাইনালে। কিন্তু শ্রীলঙ্কার জন্যে এই পরাজয় আত্মবিশ্বাসের ছুটির ঘন্টা বাজিয়েছে। এশিয়া কাপে বাউন্স ব্যাক করার রসদ নিয়ে তবেই ফিরতে হবে জিম্বাবুয়ে থেকে।












