মাঠে নামলেই ডাক মারেন যিনি

নিরীহ এক লেন্থ বল, সামান্য বাক নিয়েছিল। পিচের সামান্য বাউন্সে আইয়ুব চেয়েছিলেন বলের ওপরে খেলতে, কিন্তু একটু আগেভাগেই শটের লাইনে পৌঁছে গিয়েছিরেন। ফলে সহজেই  ক্যাচ চলে যায় পয়েন্টে দাঁড়ানো দাড়ানো বুমরাহর হাতে। হতাশ হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় আইয়ুবকে।

আসেন, দেখেন, ডাক মেরে চলে যান। আরেকটি রাত, আরেকটি গোল্ডেন ডাক পেলেন সায়িম আইয়ুব! ভারতের পেস বোলিংয়ের সামনে এবারও তিনি দাঁড়াতে পারলেন না। দুশ্চিন্তা বাড়ালেন পাকিস্তানের টপ অর্ডারের।

আগের দিন ওমানের বিপক্ষে প্রথম বলেই ফিরে গিয়েছিলেন, সেদিন এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েছিলেন। এবার, হার্দিক পান্ডিয়া প্রথম বলটা ওয়াইড দিয়েছিলেন। কিন্তু, প্রথম যে বৈধ ডেলিভারিটা পেলেন সেখানেই আউট হয়ে গেলেন সায়িম আইয়ুব। ফলে, এটাও গোল্ডেন ডাকের স্বীকৃতিই পাচ্ছে।

এই নিয়ে শেষ পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে তিনটিতেই কোনো রান না করেই ফিরে গেলেন সাজঘরে। যদিও, এত সহজে তিনি ফিরবেন, সেটা সম্ভবত ভারতীয় দল কিংবা খোদ হার্দিক পান্ডিয়াও ভাবেনি। ছক্কা হাকাতে পারদর্শী বলে যার এত নাম ডাক, তিনি চলতি এশিয়া কাপে এখন অবধি রানের খাতাই খুলতে পারলেন না।

১২০ কিলোমিটার গতির একটা নিরামিষ ডেলিভারি। সায়িম স্কয়ার ড্রাইভ খেলতে গিয়ে সরাসরি পয়েন্টে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন। নিরীহ এক লেন্থ বল, সামান্য বাক নিয়েছিল। পিচের সামান্য বাউন্সে আইয়ুব চেয়েছিলেন বলের ওপরে খেলতে, কিন্তু একটু আগেভাগেই শটের লাইনে পৌঁছে গিয়েছিরেন। ফলে সহজেই  ক্যাচ চলে যায় পয়েন্টে দাঁড়ানো দাড়ানো বুমরাহর হাতে। হতাশ হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় আইয়ুবকে।

Share via
Copy link