সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচ, বাংলাদেশকে টপকাতে হবে শ্রীলঙ্কা বাধা। সেখানে তানজিদ তামিম এবং সাইফ হাসান— এই দুজনের কাঁধেই কি থাকবে ওপেনিং সামলানোর দায়িত্বভার? নাকি শ্রীলঙ্কা ম্যাচে ফিরবেন পারভেজ হোসেন ইমন? তাঁকে ফেরানো আসলে কতটুকু যৌক্তিক হবে?
ভাগ্যের জোরে সুপার ফোরে পা রেখেছে বাংলাদেশ। সামনের লড়াইটা আরও বেশি কঠিন। তবে এই কঠিন পথ পাড়ি দিলেই খুলতে পারে ফাইনালের দুয়ার। লঙ্কানদের বিপক্ষে জয় তুলে নিতে পারলেই বাকি পথটা আরও সুগম হবে লিটনদের জন্য। এক্ষেত্রে কেমন ছক কষবে বাংলাদেশ? বিশেষ করে ইনিংসের গোড়াপত্তন করবেন কারা?
এশিয়া কাপ শুরুর আগে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে আস্থার জায়গা ছিল তামিম-ইমনের ওপেনিং জুটি। তবে প্রতিদানস্বরূপ ভালো সূচনা দিতে পারেননি তারা। হংকংয়ের বিপক্ষে ২৪ রান কেবল এসেছে এখান থেকে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ওপেনার একেবারেই ফেল করলেন, স্কোরবোর্ডে এক রানও যোগ করতে পারলেন না।

পরের ম্যাচে তাই পরিবর্তন করা হলো জুটি। ইমনকে বসিয়ে সুযোগ দেওয়া হলো সাইফ হাসানকে। এলো ৬৩ রানের এক দারুণ সূচনা, যদিও শুরুর দিকে সাইফের আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ছিল দৃশ্যমান। তবে পরের সময়টাতে পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান, ২৮ বল খেলে করেছিলেন ৩০ রান। খুব বেশি ভালো না হলেও রেজাল্ট ঠিকই এসেছিল বাংলাদেশের পক্ষে।
তানজিদ তামিমেরও সময়টা ভালো যাচ্ছিল না, ইমনের মতো তাকে নিয়েও স্বস্তিতে ছিল না বাংলাদেশ। তবে আফগানদের বিপক্ষে ৩১ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলে সব সংশয় উড়িয়ে দেন।
অন্যদিকে ইমনও আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি প্রথম দুই ম্যাচে। তৃতীয় ম্যাচে তাই একাদশ থেকে বাদ পড়েন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাই তাঁকে আবারও ফেরানোর প্রশ্নে, উত্তরটা হয়তো ‘না’ হবে।

কারণ লঙ্কানদের বিপক্ষে পরিসংখ্যানটা খুব বেশি আশাব্যঞ্জক নয়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বশেষ তিন ইনিংসের একটিতেও রানের খাতা খুলতে পারেননি। এর মধ্যে দুইবারই ফিরেছেন নুয়ান থুশারার বলে। তাই অন্তত শ্রীলঙ্কা ম্যাচে বেঞ্চে বসেই দেখতে হবে ম্যাচ।
পরের ম্যাচে শুরুতেই শ্রীলঙ্কাকে সামলানোর প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নামতে হবে টাইগারদের। তাই তো সুনিপুণ পরিকল্পনা সাজাতে হবে, সেখানে ইমনের দর্শক হয়ে থাকাটাই শ্রেয়।











