রিজওয়ানের শেষের শুরু হলো প্রথম ম্যাচেই!

নাহিদ রানার শিকার হয়ে মাথা নিঁচু করে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। দলের ঘোরতর বিপদের উপর আরও বিপদ চাপিয়ে ফিরে গেছেন। সেই সাথে আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, বেলা যে ফুরিয়ে এলো।

নাহিদ রানার শিকার হয়ে মাথা নিঁচু করে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। দলের ঘোরতর বিপদের উপর আরও বিপদ চাপিয়ে ফিরে গেছেন। সেই সাথে আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, বেলা যে ফুরিয়ে এলো।

চার নম্বরের মহাগুরত্বপূর্ণ রোল। ৪১ থেকে ৫৫ এই ১৪ রানের ব্যবধানে পাকিস্তান হারিয়েছে তিন ব্যাটারকে। নাহিদ রানারের ছোড়া অগ্নিস্ফুলিঙ্গ রীতিমতো ধংসযোগ্য চালাচ্ছে, পাকিস্তানের তরুণ সেনানীদের উপর। আর অভিজ্ঞতার ঝুলি নিয়ে ঠাঁই দাঁড়িয়ে সেটা দেখেছেন রিজওয়ান।

এই সিরিজে দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ব্যাটার। সব দায় দায়িত্ব যে তাঁকে নিতে হত। তবে পরীক্ষার খাতায় শূন্য নিয়ে ফিরে এলেন। ২০ বলে ব্যক্তিগত খাতায় তুললেন মোটে ১০। এটাই বড় রকমের প্রশ্ন তোলে, রিজওয়ানের শেষের শুরু যে এখানেই।

সাম্প্রতিক সময়টা খুব বেশি ভালো চলছে না রিজওয়ানের। এই ওয়ানডে দলটার অধিনায়ক যে কিছুদিন আগে তিনিই ছিলেন। সেটাও এখন গেছে। এবার চ্যালেঞ্জটা ছিল এই দলে নিজের পায়ের তোলার মাটি শক্ত করা। সেটাও যে পারলেন না প্রথম ম্যাচে।

পাকিস্তানের আস্থা হারিয়েছেন আগেই, বিশ্বকাপের জন্য বড় পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে দল। বাংলাদেশ সিরিজটা এক কথায় রিজওয়ানের জন্য বাঁচা-মরার লড়াই। পা হড়কালেই চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে ওয়ানডের দরজা। এমন সব হিসাব-নিকাশের মাঝে দাঁড়িয়ে ডাহা ফেল করে বসলেন প্রথম ম্যাচে।

আপাতদৃষ্টিতে এটা বলতে হয় টাচে নেই রিজওয়ান। চোখে-মুখে ভয়ের ছাপ, এভাবে চলতে থাকলে ২০২৭ বিশ্বকাপ স্বপ্ন হয়ে থাকবে। হাতে যে আছে আর দুটো ম্যাচ, নিজেকে প্রমাণ করতে না পারলে ক্যারিয়ারটা মিরপুরেই শেষ হয়ে যেতে পারে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link