টি-টেয়েন্টি দলে বাবরের কাছে তিন ডিমান্ড

প্রশ্ন হল, ‘বাদশাহ’ খ্যাত বাবর কি এতসব দাবি পূরণ করতে পারবেন? হাসি ফোটাতে পারবেন পাকিস্তানি সমর্থকদের মুখে? নাকি আবারও হারিয়ে যাবেন অন্ধকারে?

এশিয়া কাপ দলে জায়গা না পেলেও এবার ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টি–টোয়েন্টি সিরিজে ফিরছেন বাবর আজম। ব্যর্থ হয়েছেন তার বিকল্পরা, তাই বাধ্য হয়েই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) তাকে আবারও ডেকে নিচ্ছে। তবে এই প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে বাবরের প্রতি থাকবে বড় প্রত্যাশা।

সমালোচকদের চুপ করাতে হলে তাকে দেখাতে হবে ভিন্ন রূপ।পাকিস্তান কোচ মাইক হেসনের সবচেয়ে বড় অভিযোগ ছিল বাবরের ধীরগতির ব্যাটিং। টি–টোয়েন্টিতে যেখানে দরকার আক্রমণাত্মক খেলা, সেখানে বাবরের স্ট্রাইক রেট ছিল মাত্র ১২৯। এ কারণেই তিনি বাদ পড়েছিলেন। ফিরতি সিরিজে যদি স্ট্রাইক রেটে উন্নতি না হয়, তবে আবারও দলে টিকে থাকা কঠিন হবে।

বাবরের বিরুদ্ধে আরেকটি অভিযোগ—তিনি বড় ম্যাচে রান করতে পারেন না। ২০২১ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তিনি করেছিলেন ৩০৩ রান, তবে স্ট্রাইক রেট ছিল মাত্র ১২৬। গ্রুপ পর্বে ভাল করলেও সেমিফাইনালে ৩৪ বলে ৩৯ রানের ইনিংস পাকিস্তানের হার নিশ্চিত করেছিল। তাই এবার পাকিস্তান চায়, নকআউট বা সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে বাবরই জয়ের নায়ক হওয়ার দায়িত্ব নেবেন।

বর্তমান টি–টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আলী আঘা এখনও ব্যাট হাতে কিছুই করে দেখাতে পারেননি। গুঞ্জন আছে, তার জায়গাও নিরাপদ নয়। এই সুযোগে ভালো খেললে বাবর আবারও পেতে পারেন দলের নেতৃত্ব। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেই তিনি হয়ে উঠতে পারেন অধিনায়কত্বের সবচেয়ে বড় দাবিদার।

প্রশ্ন হল, ‘বাদশাহ’ খ্যাত বাবর কি এতসব দাবি পূরণ করতে পারবেন? হাসি ফোটাতে পারবেন পাকিস্তানি সমর্থকদের মুখে? নাকি আবারও হারিয়ে যাবেন অন্ধকারে?

Share via
Copy link