ব্যর্থ সায়িম আইয়ুবই সবার সেরা!

ডাক থেকে যদি ভালো কিছু হয় তবে ডাকই ভালো। সায়িম আইয়ুব এই কথাটা মনে প্রাণে ধারণ করতেই পারেন। ব্যাট হাতে চরম ব্যর্থতার মধ্যে উঠে এলেন অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে। এটা যে চমক বললেও কমই বলা হবে।

ডাক থেকে যদি ভালো কিছু হয় তবে ডাকই ভালো। সায়িম আইয়ুব এই কথাটা মনে প্রাণে ধারণ করতেই পারেন। ব্যাট হাতে চরম ব্যর্থতার মধ্যে উঠে এলেন অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে। এটা যে চমক বললেও কমই বলা হবে।

পাকিস্তান ক্রিকেটে শুরু থেকেই বেশ আলোড়ন তুলেছিলেন সায়িম আইয়ুব। ব্যাটে বড় নাম হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। তবে হতাশ করেছেন সদ্য শেষ হওয়া এশিয়া কাপে। ব্যাট হাতে ব্যর্থতার সর্বনিম্ন পর্যায়ে ছিলেন পুরো আসরজুড়ে।

সাত ম্যাচ খেলে রান করেছিলেন মাত্র ৩৭, গড়ও ছয়ের নিচে। সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপার ছিল চারবার শূন্য রানেই উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসা। তবে বল হাতে অবশ্য ছিলেন বেশ কার্যকরী, নিজের নামের পাশে লিখিয়েছেন আট উইকেট। পার্টটাইমার হিসেবে যা মন্দ বলার উপায় নেই।

আর তাতেই ২৪১ রেটিং নিয়ে এক লাফে অলরাউন্ডার র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠে এসেছেন। পেছনে ফেলেছেন হার্দিক পান্ডিয়া, মোহাম্মদ নবী, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাদের মতো বড় সব নামকে। যা অনেকটা চোখ কপালে ওঠার মতোই। সেই সাথে প্রতিযোগিতাহীন ক্রিকেটের এক বার্তাও দিলেন।

একটা সময় সেরা অলরাউন্ডার হওয়ার লড়াইটা বেশ জমজমাট ছিল। সাকিব আল হাসান, রবীন্দ্র জাদেজা, গ্লেন ম্যাক্সওয়েলদের মতো নামজাদা প্লেয়াররা ব্যাটে-বলে সমান তালে লড়তেন। তবে বর্তমানে সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইটা আর দেখা যায় না। তাই তো নম্বর ওয়ান হওয়ার জৌলুসটা আর আগের মতো নেই।

সায়িম আইয়ুবই তার জলজ্যান্ত উদাহরণ। এখনও পর্যন্ত আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ৪৮টি, উইকেট সংখ্যা মাত্র ১৬। এর মধ্যে আটটিই এসেছে এশিয়া কাপের সাত ম্যাচে। তাঁর শেষ ১০ টি-টোয়েন্টি ইনিংসে মাত্র একবার তিনি ২০ রানের ঘর পেরিয়েছেন। অথচ ওপেনার হিসেবে দলে তার মূল দায়িত্ব ব্যাটিং।

উপসংহারে কেবল বলা যায়, এই সময়ে সেরা হতে গেলে খুব বেশি কসরত করা লাগে না। অথবা ব্যাটে-বলে অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখানোর দরকারও পড়ে না। সায়িমের মতো মাঝে মাঝে বল হাতে উইকেট তুলে নিলেই হয়।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link