ক্যাচ ধরলেই ম্যাচ জয় নিশ্চিত, এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ নিশ্চিত। সেই সময় ক্যাচ ফেললেন কে? দেশের সেরা উইকেটরক্ষক খ্যাত নুরুল হাসান সোহান। স্কয়ার লেগ পর্যন্ত দৌঁড়ে এসে বাঁজপাখি সুলভ এক ঝাঁপ দিয়েছিলেন, কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। ক্যাচ মিস! ম্যাচ গড়ালো সুপার ওভারে। বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম সুপার ওভার। সেখানে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে এক রানে হারতে হয় বাংলাদেশকে।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের দরকার ছিল পাঁচ রান। সেখানে প্রথম দুই বলেই ডট দিলেন সাইফ হাসান, যিনি মূলত পার্ট টাইম বোলার। তৃতীয় ও চতুর্থ বলে সিঙ্গেল। পঞ্চম বলে বোল্ড হয়ে ফিরে গেলেন আকিল হোসেন। শেষ বলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জিততে দরকার তিন রান। ক্রিজে শেষ ব্যাটার, এই সময়ে স্লগ করতে গেলেন খ্যারি পিয়েরে।

সুপার ওভারে বাংলাদেশের ভরসা ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। শুরুটা ভাল হলেও শেষ দুই বলে এক বাউন্ডারি-সহ ছয় রান দেন মুস্তাফিজ। বাংলাদেশের জিততে সুপার ওভারে দরকার ১১ রান। এক্সট্রা কাভারে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ক্যাচ না ছাড়লে আরও আগেই শেষ হতে পারত ক্যারিবিয়ানদের যাত্রা।
সুপার ওভারে প্রথম বলে বাংলাদেশ নেয় পাঁচ রান। একটা ওয়াইড, একটা নো-বলে দৌঁড়ে দুই রান, এরপর ফ্রি-হিটে এক রান। পরের চার বলে বাংলাদেশ নিতে পারে মাত্র দুই রান। শেষ বলে জয়ের জন্য দরকার চার রান। এই সময়ে একটা ওয়াইড দিয়ে বসেন আকিল হোসেন। মানে, এবার শেষ বলে দরকার তিন রান। সেখানে মাত্র এক রান নিতে পারেন সাইফ হাসান, এক রানে হেরে সিরিজ জয়ের অপেক্ষা বাড়ল বাংলাদেশের।











