অনিশ্চয়তা কাটিয়ে বিপিএল ফিরছে মাঠে!

ধারাবাহিক নাটকের ইতি ঘটেছে, অবশেষে সমাধান মিলেছে। দীর্ঘ এক বৈঠক শেষে সমঝতার পথেই হেঁটেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড(বিসিবি) এবং ক্রিকেটাররা। ক্রিকেট পাড়ায় বইছে স্বস্তির সুবাতাস,শুক্রবার থেকেই আবারও মাঠে গড়াবে বিপিএল।

ধারাবাহিক নাটকের ইতি ঘটেছে, অবশেষে সমাধান মিলেছে। দীর্ঘ এক বৈঠক শেষে সমঝতার পথেই হেঁটেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড(বিসিবি) এবং ক্রিকেটাররা। ক্রিকেট পাড়ায় বইছে স্বস্তির সুবাতাস,শুক্রবার থেকেই আবারও মাঠে গড়াবে বিপিএল।

দিনব্যাপী একের পর এক নাটক চলেছে। নাজমুল ইসলামের বেফাঁস মন্তব্যের জের ধরে প্লেয়াররা সব ধরনের খেলা বর্জনের ডাক দিয়েছিল। সমাধান না মেলায় দিনের দুই খেলা মাঠেই গড়ায়নি। এমনকি বিতর্কের সূচনা করা নাজমুলকে অপসারণও করা হয়েছে। তবুও খেলোয়াড়দের মন গলানো যায়নি।

এরপরই বিসিবি নেয় বড় পদক্ষেপ। অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হয় বিপিএল। এরপর অনিশ্চয়তার কালো ছায়া ঘিরে ধরে দেশের ক্রিকেটকে। এমন ন্যাক্কারজনক কাণ্ড যে এর আগে ঘটেনি। বিতর্কের সবটা আরও একবার ধূসর করে রাখল ক্রিকেট পাড়া।

সমাধানের জন্য একটা পথ অবশ্য খুলে দিয়েছিল বিসিবি। ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। পরবর্তীতে যোগ দেন কোয়াবের সদস্যরা। সময়ের সঙ্গে সেই তাই তো সবার মনে বাড়তে থাকে কৌতূহল। কী আছে বিপিএলের ভাগ্যে, বিশ্বকাপের আগে এই পরিস্থিতির শেষ হবে কি না? এমন সব প্রশ্ন যখন সামনে এসেছে, তখনই উত্তরে স্বস্তিও মিলেছে।

আলোচনার টেবিলে বিসিবি মেনে নিয়েছে ক্রিকেটারদের দাবি-দাওয়া, সেই সঙ্গে আশ্বাস মিলেছে শুক্রবার থেকেই ঢাকা পর্বে শুরু হতে যাচ্ছে বিপিএল। এক্ষেত্রে সূচিতে এসেছে পরিবর্তন। একদিন করে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ম্যাচগুলো, অর্থাৎ ১৫ তারিখের ম্যাচগুলো ১৬ তারিখ, ১৬ তারিখেরটা ১৭ এবং ১৭ তারিখের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৮ তারিখ। সব ছাপিয়ে তাই স্বস্তির খবর, উত্তাপ ছড়ানো দিন শেষে সমাধান এসেছে। ক্রিকেটাররা মাঠে ফিরছেন, এটাই জরুরি খবর।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link