বাংলাদেশের ওয়ানডে পরিকল্পনায় সব সময় থাকেন না নাসুম আহমেদ। এখন তিনি পুরোদস্তর টি-টোয়েন্টি বোলার। সর্বশেষ আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ছিলেন সেরা খেলোয়াড়। এরপর তাঁকে ছাড়া ওয়ানডে সিরিজে ভরাডুবি হয় বাংলাদেশের।
এবার স্রেফ কন্ডিশনের বাড়তি সুবিধা নিতে বাংলাদেশ দলে তাঁর আবির্ভাব। আর আবির্ভাবেই বাজিমাৎ, দুই ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়ে নাসুম আহমেদ বুঝিয়ে দিলেন চাইলে তার ওপরও ভরসা করতে পারে বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট।
দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে হঠাৎ করে দলে আসেন। ম্যাচ খেলতে নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট নেন। সেই সুযোগটা কাজে লাগাতে পারত বাংলাদেশ। কিন্তু, হারে সুপার ওভারে। দারুণ বোলিংয়ে দুই উইকেট নিয়েও নাসুম আহমেদ ছিলেন পরাজিত দলে।

তবে, তৃতীয় ওয়ানডেতে আর কোনো আক্ষেপ রাখলেন না তিনি। ব্যাটারদের গড়ে দেওয়া ভিত্তিতে আঘাত হানলেন তিনি প্রথম থেকেই। প্রথম তিনটা উইকেটই নাসুমের দখলে। মাত্র ৩৫ রানে তিন উইকেট হারানো ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি।
ফলাফল, নিজেদের ইতিহাসে বাংলাদেশের বিপক্ষে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হেরে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশের ১৭৯ রানের বড় ব্যবধানে জয়ের বড় নায়ক অবশ্যই নাসুম আহমেদ।
সিরিজ জয়ের মূখ্য নায়ক হিসেবে অবশ্যই রিশাদ হোসেনের নাম আসবে সবার আগে। তবে, পাঁচ সিরিজ পর ওয়ানডে সিরিজ জয়ের পার্শ্বনায়ক অবশ্যই নাসুম আহমেদ। হঠাৎ করেই এই ফরম্যাটে এসে মানিয়ে নিয়ে পারফরম করা সহজ কাজ নয়।











