শামির সাথে বোর্ডের মান-অভিমান!

জাতীয় দলে নিয়মিত জায়গা না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মোহাম্মদ সামি। অভিযোগ দিয়েছিলেন নির্বাচক কমিটি তাঁর সঙ্গে কোনো যোগাযোগই রাখেনি। কিন্তু পিটিআই-এর এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে উল্টো দাবি।

জাতীয় দলে নিয়মিত জায়গা না পাওয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মোহাম্মদ শামি। অভিযোগ দিয়েছিলেন নির্বাচক কমিটি তাঁর সঙ্গে কোনো যোগাযোগই রাখেনি। কিন্তু পিটিআই-এর এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে উল্টো দাবি। শামিকে নাকি খেলতে অনুরোধ জানানো হয়েছিল, অথচ তিনি নিজেই রাজি হননি!

২০২৩ সালের বিশ্বকাপের পর গোড়ালির অস্ত্রোপচারের কারণে দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। এরপর থেকে জাতীয় দলের কোনো ফরম্যাটেই সুযোগ পাননি। শেষবার ভারতের জার্সিতে দেখা গেছে তাঁকে চলতি বছরের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে।

শামির বর্তমান বয়স এখন ৩৫ বছর। অভিজ্ঞ এই পেসার চলমান রঞ্জি ট্রফিতে নিয়মিতই বল করছেন। তবে ভারতীয় ক্রিকেটে তাঁকে আবারও সাদা পোশাকে দেখা যাবে, এমন সম্ভাবনা দিন দিন ক্ষীণ হয়ে আসছে।

তবুও তাঁকে সবসময় বিবেচনায় রেখেই এসেছে বিসিসিআই। বোর্ডের এক সিনিয়র কর্মকর্তার তথ্য অনুযায়ী পিটিআই জানায়—’জাতীয় নির্বাচক ও বিসিসিআই সাপোর্ট স্টাফ একাধিকবার শামির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। ইংল্যান্ড সফরে জাসপ্রিত বুমরাহ পুরো সিরিজ খেলতে পারতেন না। তাই শামিকে পাওয়া গেলে তা দলের জন্য বিশাল সুবিধা হতো। ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে ওর মতো পেসারকে কে না চাইবে?’

প্রতিবেদনটি আরও জানায়, নির্বাচক প্যানেলের একজন সিনিয়র সদস্য নাকি ব্যক্তিগতভাবে শামির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে অন্তত একটি ভারত ‘এ’ ম্যাচ খেলতে অনুরোধ করেছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল তাঁর ফিটনেস যাচাই করা বিশেষ করে টেস্ট ক্রিকেটের চাপ সামলানোর সক্ষমতা কতটা আছে, সেটা দেখা।

কিন্তু শামি নাকি জানিয়েছিলেন, এখনো ফিটনেস বাড়ানোর প্রক্রিয়ায় আছেন এবং এই মুহূর্তে তাঁকে বিবেচনা না করাই শ্রেয়। ফলে বোর্ডের দাবি, ‘শামির সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি’ এই বক্তব্য পুরোপুরি সঠিক নয়। বোর্ড আর শামির মধ্যে যে একটা মান-অভিমানের পালা চলছিল সেটা সবারই জানা। তবে এবার তা রূপ নিল বিরোধ আকারে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link