ভিড়ের মধ্যে শারীরিক গড়ণের কারণেই হয়ত তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। আকারের কারণে তাঁকে স্লেজিং করা, ব্যক্তিগত আক্রমণ করা খুবই সহজ। জাসপ্রিত বুমরাহ যেমন করেই ফেললেন। টেম্বা বাভুমা অবশ্য তাতে থোড়াই কেয়ার করেন। পাল্টা কথার লড়াইয়ে যাননি তিনি। ওসব তাঁর কাজ নয়।
তিনি জবাব দিতে জানেন ব্যাট হাতে। ব্যাটকে নিজের মত করে কথা বলাতে জানেন তিনি। ইডেন গার্ডেন্সে বাকিদের জন্য যখন বদ্ধভূমি তখন সুরভিত গোলাপ ফুল হয়ে ফুটলেন বাভুমা। কথায় আছে না, ছোট মরিচের ঝাল বেশি। সেই ঝালটা টের পেল ভারত। মুখের কথায় নয়, ব্যাটে।

ইডেনে চলতি টেস্টে দুই দল মিলিয়ে কোনো ব্যাটারই যখন হাফ সেঞ্চুরির দেখা পায়নি, তখন বাভুমা ভারতের পেস বাউন্স আর স্পিন ঘূর্ণি সামলে দিয়ে অপরাজিত ছিলেন ৫৫ রানে। মাত্র চারটি চারে সাজানো ধৈর্য্য আর সংযমের প্রতীক হয়ে ওঠা ইনিংসটির জোরেই একদম শেষ পর্যন্ত কলকাতা টেস্টের উত্তাপ টিকে আছে।
সকালের উইকেটের রোলারের প্রভাব আর অধিনায়ক টেম্বা বাভুমার দুর্দান্ত ইনিংস—এই দুয়ের মিলেই তৃতীয় দিন ম্যাচে লড়াইয়ে ফেরার মতো অবস্থান তৈরি করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কঠিন এই উইকেটে বাভুমা যে ১৩৬টি বল খেলেছেন, সেটাই এক বিরল কীর্তি। তার ওপর, তাঁকে আউট করতেও পারেনি প্রতিপক্ষ।

যাকে আউট করা যায় না, কথার লড়াইয়েই তাঁর সাথে বারবার সবাই জিতে যাওয়ার চেষ্টা করে। ম্যাচের ফলাফল যাই হোক, বাভুমার সাথে লড়াইয়ে জিততে পারেনি ভারত।










