৩৫৮ রান করেও রক্ষা পেল না ভারত। রাইপুরের ৫০ হাজার দর্শকের গর্জন থামিয়ে দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের রাস্তা দেখিয়ে দিলেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, মোটে ৩৪ বল খেলে এক লহমায় অনিশ্চিত ম্যাচটাকে নিয়ে এলেন নিজেদের হাতে। এর আগে এইডেন মার্করামের গড়ে দেওয়া ভিত আর শেষটাতে করবিন বশের দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ের সুবাদে ভারতকে হারাল প্রোটিয়ারা।
এদিন আগে ব্যাট করতে নামা ভারত বিরাট কোহলি আর ঋতুরাজ গায়কডের শতকে ভর করে রানের পাহাড় গড়ে। রাঁচির পর রাইপুরেও ঝলক দেখান বুড়ো বিরাট। যেন সময়টাকে হাতের মুঠোয় ধরে রেখেছেন তিনি। সেই সাথে গায়কড অনুসরণ করেন অবিশ্বাস্য বিরাটের পদাঙ্ক। শেষদিকে লোকেশ রাহুলের ফিফটির সুবাদে স্বাগতিকদের স্কোরবোর্ডে আসে ৩৫৮ রান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে চোখে চোখ রেখেই লড়তে থাকে প্রোটিয়া শিবির। এইডেন মার্করামের ব্যাট গড়ে দেয় তাঁদের ভিত। শতক হাঁকিয়ে লড়াইটা জমিয়ে তোলেন তিনিও। যখন সাজঘরের পথ ধরলেন জয়ের ব্যবধানটা তখনও বিশাল।

তবে এরপরই বদলে গেল সবকিছু। ম্যাথু ব্রিজকিকে সাথে নিয়ে ম্যাচের চিত্র বদলাতে থাকলেন ডেওয়াল্ড ব্রেভিস। ব্যাট নয় যেন চাবক চালালেন তিনি। ওভার প্রতি রানের চাপটা তখন বাড়ছেই। সেই মুহূর্তের মাঠের চারপাশে ঝড় বইয়ে দিলেন। ১৬০-এর কাছাকাছি স্ট্রাইক রেট রেখে করলেন ৩৪ বলে ৫৪ রান। ওই ঝড়টাই শেষ করল ভারতকে।
অবশ্য ব্রিজকিও নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন শতভাগ দিয়ে। ৬৮ রানের ইনিংস খেলে দলকে এনে দিয়েছেন জয়ের দ্বারপ্রান্তে। আর ফিনিশিং টাচটা এলো করবিন বশের থেকে। ১৫ বলে ২৯ রানের ইনিংসের সুবাদে চার উইকেট হাতে রেখেই জয় পায় আফ্রিকা। সিরিজে ফেরে সমতা।
রানের পাহাড় গড়েও তাই রক্ষা মেলেনি ভারতের। বোলারদের অসহায়ত্বের কারণে হারাতে হলো ম্যাচটাকে, কাজে আসলো না গায়কড-কোহলিদের জোড়া শতকও।












