রুবেলের কাছে ক্রিকেটটা সেকেন্ডারি অপশন!

মোহাম্মদ রুবেল, বল হাতে প্রতিপক্ষের উইকেট নিতেই দেখা যায় তাঁকে। সবাই তাঁকে চেনে ক্রিকেটার হিসেবেই, তবে এর বাইরেও তাঁর আরও একটি পরিচয় আছে, তিনি বিয়ের নিবন্ধক। অর্থাৎ তাঁর হাত ধরে জোড়া লাগে দু’জনের জীবন। এখন পর্যন্ত ছয় হাজারের বেশি বিয়ের নিবন্ধন করিয়েছেন তিনি।

মোহাম্মদ রুবেল, বল হাতে প্রতিপক্ষের উইকেট নিতেই দেখা যায় তাঁকে। সবাই তাঁকে চেনে ক্রিকেটার হিসেবেই, তবে এর বাইরেও তাঁর আরও একটি পরিচয় আছে, তিনি বিয়ের নিবন্ধক। অর্থাৎ তাঁর হাত ধরে জোড়া লাগে দু’জনের জীবন। এখন পর্যন্ত ছয় হাজারের বেশি বিয়ের নিবন্ধন করিয়েছেন তিনি।

বয়সটা ২৯, ঘরোয়া ক্রিকেট খেলছেন দীর্ঘদিন ধরেই। ঘুর্নি জাদুতে ব্যাটারদের পরীক্ষা নিতে দেখা যায় হরহামেশাই। এবার ভাগ্যের দরজাটাও খুলে গেছে তাঁর সামনে। বিপিএলেও দেখা যাবে তাঁর স্পিন জাদু। ১১ লাখ টাকায় যে তাঁকে দলে ভিড়িয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তদের রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

তবে ক্রিকেটটাকে তাঁর সেকেন্ডারি অপশন বললেও ভুল হবে না। মামা পেশায় কাজি, সেই মামার হাত ধরেই বিয়ের নিবন্ধক হিসেবে তাঁর হাতে খড়ি। মাদ্রাসার ছাত্র হওয়ায় কাজটা সহজ ছিল তাঁর জন্য। এমনকি মামার অনুপস্থিতিতে বিয়েও পড়িয়েছেন।

ক্রিকেটের প্রতি প্রেম ছিল ছেলেবেলা থেকেই। যাত্রা শুরু করেন টেপ টেনিস দিয়েই। জীবন চলছিল সাধারণ ভাবেই। এরপরই বদলে যায় সবকিছু। জাতীয় দলের নেট বোলার হিসেবে বল করার সময় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের এক টোটকায় বদলে যায়  ক্যারিয়ারটা। এরপর থেকেই নিজেকে আবিষ্কার করেন নতুনভাবে।

ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজের কাজটা করতে থাকেন, আলো-আধারির মাঝে নিজের বিশ্বাসটাকে আকড়ে ধরে ছুঁটতে থাকেন সবুজ গালিচায়। তবে পারফরম্যান্স করেও কদর মেলেনি তাঁর। বারবার উপেক্ষিত হয়েছেন, তবে নিজের মতো করেই সব শিখেছেন।

অবশেষে একটা রাস্তা খুঁজে পেয়েছেন। প্রথমবারের মতো বিপিএল খেলবেন তিনি। রাজশাহীর জার্সি গায়ে জড়িয়ে স্বপ্নটা পূরণ হবে তাঁর। এবার অন্যদের নতুন জীবন গড়ে দেওয়ার পাশাপাশি নিজের ক্যারিয়ারটাকেও নিশ্চয় গড়ে তুলতে চাইবেন নতুনভাবে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link