চন্দরপলের বেশে হাজির স্মিথ!

জেক ওয়াদারল্ড যখন জোফরা আর্চারের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরছেন, একই পথ দিয়ে আসছেন শিবনারায়ণ চন্দরপল। না, কথাটা একেবারেই সত্য না। চন্দরপল নয়, উইকেটে আসলেন স্টিভেন স্মিথ। তবে হেলমেটের ফাঁক গলে তাঁর চোখের নিচে ধরা দিল অ্যান্টি-গ্লেয়ার স্ট্রিপস, যা ব্যবহার করতেন ক্যারিবীয় গ্রেট চন্দরপল।

জেক ওয়াদারল্ড যখন জোফরা আর্চারের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরছেন, একই পথ দিয়ে আসছেন শিবনারায়ণ চন্দরপল। না, কথাটা একেবারেই সত্য না। চন্দরপল নয়, উইকেটে আসলেন স্টিভেন স্মিথ। তবে হেলমেটের ফাঁক গলে তাঁর চোখের নিচে ধরা দিল অ্যান্টি-গ্লেয়ার স্ট্রিপস, যা ব্যবহার করতেন ক্যারিবীয় গ্রেট চন্দরপল।

তবে স্মিথ যে এমন বেশে আসবেন তা অনুমেয় ছিল। বেশ কিছুদিন এই নিয়ে তো সরগরম ছিল অজিদের ডেরা। অবশ্য এর পেছনে কারণও আছে। এই স্ট্রিপগুলো পরিচিত ‘আই ব্ল্যাক’ নামে, যা চোখের নিচের উজ্জ্বল আলো বা ঝলক কমাতে ব্যবহৃত হয়।

ডে-নাইট টেস্ট হওয়ায় গোলাপী বল আলোর কারণে দেখতে অনেকেরই সমস্যা হয়। স্মিথ আগে থেকেই এ নিয়ে চর্চা শুরু করেন, কিভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায়। উপায় হিসেবে স্মিথ চন্দরপলের দেখানো পথে হাঁটলেন।

দ্বিতীয় টেস্ট মাঠে গড়ানোর আগেই অনুশীলনে এই টেপের ব্যবহার তিনি শুরু করেন। পরে জানান, তিনি বলটাকে ভালোভাবে দেখতে পারছেন। অগত্যা এবার মাঠে নামলেন কালো টেপ লাগিয়ে। ব্রিসবেনে ফিরিয়ে নিয়ে আসলেন চন্দরপলের সময়টাকে। স্মিথ রূপে যেন ব্যাট করছেন তিনিই।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

আফগান ঘূর্ণির মায়াজালে ধরাশায়ী হবে মিরাজ-রাজারা?

তবে স্পিনের লড়াইয়ে বাংলাদেশকেও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। দুই বছরের ওয়ানডে পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের স্পিনাররা শিকার করেছেন মোট ৮২টি উইকেট। যদিও চলতি বছরে ১২ ম্যাচে স্পিন থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ২৬ উইকেট, ২০২৫ সালে ১১ ম্যাচে রিশাদ, মিরাজ, তানভীর, নাসুমদের শিকার ছিল ৫৬ উইকেট। গত বছর বাংলাদেশের অধিকাংশ ম্যাচেই স্পিন সহায়ক উইকেট থাকলেও চলতি বছরে দলটি খেলেছে তুলনামূলক স্পোর্টিং উইকেটে। ফলে কন্ডিশনের সহায়তা পেলে বাংলাদেশের স্পিনাররাও যে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপে বিপর্যয় নামিয়ে আনতে সক্ষম, তার ইঙ্গিত মিলছে পরিসংখ্যানেই। রিশাদ হোসেনের আক্রমণাত্মক লেগ স্পিন, মেহেদী হাসান মিরাজের নিয়ন্ত্রিত অফ স্পিন, তানভীর ইসলামের বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনের সঙ্গে নতুন সংযোজন রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলাম। বৈচিত্র্য আর কৌশলের সমন্বয়ে প্রতিপক্ষকে মরণকামড় দিতে মরিয়া থাকবে বাংলাদেশও।

Share via
Copy link