ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার তুলে নিলেন মাইকেল নেসার। ইংল্যান্ডকে একেবারেই মাটিতে মিশিয়ে দিলেন যেন। একটা সুযোগ চেয়েছিলেন নেসার। মর্যাদার মঞ্চ অ্যাশেজে তা পেয়েও গেলেন। আর তাতেই বিশ্ব দরবারে নিজের নামটা চেনালেন।
বয়সটা প্রায় ৩৬ ছুঁইছুঁই। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এই ম্যাচের আগে খেলেছিলেন মাত্র দুটি টেস্ট। ২০২১ সালে একবার আর ২০২২ সালে শেষবার। এরপর আর কোনো শিরোনামে তিনি ছিলেন না। খসে পড়া তারার খবর যে কেউ রাখে না।
বয়স বেড়েছে, আশাটা শেষ হয়ে যাচ্ছিল একটু একটু করে। তবে হাল ছাড়েননি তিনি। আরও একবার যে সাদা পোশাকে খেলার স্বপ্ন নিজের ভেতর একটু একটু করে লালন করতে থাকেন। ঘরোয়া ক্রিকেটটাকে নিজের হাতিয়ার বানিয়ে ছুটতে থাকেন সাফল্যের সন্ধানে।

নেসারের চাহিদা কেবল একটাই, শেষ সুযোগটা তিনি চান। সেই চাওয়াটা স্বপ্নের মতোই ধরা দেয় তাঁর কাছে। অ্যাশেজ টেস্টে জায়গা করে নেন। এরপর বলেছিলেন, ‘ক্রিকেট আমার জীবনের এক অংশ, আমি এটি শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো বাঁচি। তাই আরেকটি সুযোগ পাওয়ায় আমি খুবই সম্মানিত।’
দ্বিতীয় টেস্টের একাদশে নাম উঠল নেসারের। প্রথম ইনিংসে অবশ্য বলার মতো কিছু করে উঠতে পারেননি। নিয়েছিলেন মাত্র এক উইকেট। তবে দ্বিতীয় ইনিংস তাঁর কাছে আবারও শেষ সুযোগ হয়েই ধরা দেয়। এবার আর কোনো ভুল করলেন না নেসার। গুণে গুণে শিকার পাঁচ ইংলিশ ব্যাটার।
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ড ব্যাটারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছেন। জ্যাক ক্রলি থেকে ব্রাইডন কার্স, আর মাঝের সময়টাতে তাঁর কাছে ধরা দিয়েছেন ওলি পোপ, বেন স্টোকস এবং উইল জ্যাকস। তাতেই অস্ট্রেলিয়া মাত্র ৬৫ রানের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছে ইংল্যান্ডকে। নেসারও শেষ সুযোগটা থেকেই আবারও শুরু করলেন নতুনভাবে।












