ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হতাশার বছর!

২০২৫ সালটা ওয়ানডেতে কেমন কাটালো বাংলাদেশ? এই প্রশ্নের একটাই উত্তর হতে পারে, একেবারেই ভালো না। টেস্ট কিংবা টি-টোয়েন্টির তুলনায় এই ফরম্যাটেই বাংলাদেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। বছর জুড়ে মাত্র তিন জয় নিশ্চয় অসস্তিতে ফেলেছে স্বতির এই ফরম্যাটে।

২০২৫ সালটা ওয়ানডেতে কেমন কাটালো বাংলাদেশ? এই প্রশ্নের একটাই উত্তর হতে পারে, একেবারেই ভালো না। টেস্ট কিংবা টি-টোয়েন্টির তুলনায় এই ফরম্যাটেই বাংলাদেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। বছর জুড়ে মাত্র তিন জয় নিশ্চয় অসস্তিতে ফেলেছে স্বতির এই ফরম্যাটে।

শুরুটা চ্যাম্পিয়নস ট্রফি দিয়েই করা যাক। বড় ইভেন্টে বাংলাদেশ বরাবরই হতাশ করে, এটাই স্বাভাবিক। তবে আশায় বাঁচে চাষার মতো সমর্থকরাও একটা ক্ষীণ আশা নিয়ে টিভি সেট বা গ্যালারিতে বসেন। আর আশাটাকে কনভার্ট করেন হতাশাই।

চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশ খেলেছে মাত্র দুই ম্যাচ। হেরেছে দুটোতেই, ভারত এবং নিউজিল্যান্ডের কাছে। পাকিস্তানের সাথে ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়। ফলাফল কোন প্রাপ্তি যোগ ছাড়াই ঘরে ফিরেছে বাংলাদেশ।

এরপর অবশ্য অধিনায়কের রদবদল হয়। নাজমুল হোসেন শান্তের জায়গায় দায়িত্ব কাঁধে পড়ে মেহেদী হাসান মিরাজের। তাঁর প্রথম এসাইনমেন্ট ছিল শ্রীলঙ্কা সফর। প্রথম ম্যাচ হারার পর দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। তবে শেষ রক্ষা হয়নি, শেষ ম্যাচে ৯৯ রানের বিশাল ব্যবধানে হারতে হয় বাংলাদেশকে।

হতাশা নিয়ে পরের সিরিজ খেলতে যায় আফগানিস্তানের সঙ্গে। যেখানে আরও বড় লজ্জা অপেক্ষা করছিল মিরাজদের জন্য। প্রথম ম্যাচ পাঁচ উইকেটে হারার পর দ্বিতীয় ম্যাচে ৮১ রানের ব্যবধানে হারতে হয় বাংলাদেশকে। এ পর্যন্ত শেষ হলেই বরং ভালো হতো। হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়েও যে হারতে হয় বাংলাদেশকে, ব্যবধান ২০০ রান।

পরে অবশ্য ঘরের মাঠে স্বস্তিতে ফেরে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেন মিরাজরা। সারা বছরে সাফল্য বলতে এই একটা জায়গাতেই। সবমিলিয়ে ১১ ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ, জয় পেয়েছে মাত্র তিনটি, বিপরীতে হারের সংখ্যাটা সাত। তাই তো বছরটাকে চরম হতাশার বলা ছাড়া কোন উপায় আর নেই। আগামী বছরের হিসাবটা নিশ্চয় এভাবে অন্তত মেলাতে চাইবে না বাংলাদেশ।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link