শামীম ঝড়েই বাংলাদেশের জয়!

ফিনিশিং স্টান্স দেখে মনে হবে লং অনের উপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়েছেন শামীম হোসেন পাটোয়ারি, তবে বলটা উইকেটকিপারের মাথার উপর দিয়ে পার হয়েছে সীমানা দড়ি। ওই স্টান্সে দাঁড়িয়ে থেকে ওরকম শট খেলতে বোধহয় স্বয়ং এবি ডি ভিলিয়ার্সও  দ্বিধান্বিত হবেন।

ফিনিশিং স্টান্স দেখে মনে হবে লং অনের উপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়েছেন শামীম হোসেন পাটোয়ারি, তবে বলটা উইকেটকিপারের মাথার উপর দিয়ে পার হয়েছে সীমানা দড়ি। ওই স্টান্সে দাঁড়িয়ে থেকে ওরকম শট খেলতে বোধহয় স্বয়ং এবি ডি ভিলিয়ার্সও  দ্বিধান্বিত হবেন। তবে শামীম করে দেখিয়েছেন, ১৩ বলে ৩১ রানের টর্নেডোতে ম্যাচটাকেও ছিনিয়ে নিয়েছেন।

শামীম যখন ক্রিজে এলেন, জিততে হলে বাংলাদেশের চায় ৩১ বলে ৪৯ রান। আধুনিক টি-টোয়েন্টি জামানায় এসব সমীকরণ তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেওয়া যায়। তবে দলটা যেহেতু বাংলাদেশ, সবার মনে দানা বাঁধে ভয়। হবে তো?

শামীম সেটা হওয়ানোর জন্য সব কিছুই করলেন। যার ক্লাইম্যাক্স ছিল, ১৭ তম ওভারটা। শুরু করেছিলেন চার দিয়ে, প্রথম পাঁচ বলে এলো আট রান। এরপর বোলার ম্যাথিউ ফিশার খেই হারিয়ে ফেললেন, ওয়াইড, নো-বলের পসরা সাজিয়ে বসলেন। শামীমের কাজ সহজ হয়ে গেল আরও। তিন চার আর এক ছক্কায় ওই ওভার থেকেই তুলে নিলেন ২৫ রান। ম্যাচের পুরো দৃশ্য বদলে গেল ওখানেই।

শেষমেষ শামীমের ব্যাট থেকে এসেছে ১৩ বলে ৩১ রানের ফিনিশিং টাচ। ১৮৩ রানের লক্ষ্য হেসেখেলেই পার করেছে বাংলাদেশ। তবে শামীমের এই ইনিংস দেখে সবচেয়ে বেশি খুশি বোধহয় হবেন লিটন দাস। কিছুদিন আগেই এই শামীমকে ছেটে ফেলার বন্দোবস্ত করেছিল নির্বাচকরা। পছন্দ হয়নি লিটনের, সংবাদ সম্মেলনে এসে ক্ষোভ ঝেড়েছিলেন, একহাত নিয়েছিলেন নির্বাচকদের।

লিটন যে সেদিন ভুল করেননি, ভুল মানুষকে সুযোগ দেননি। সেদিনের সেই প্রতিবাদ আজ ফুল হয়ে ফুটেছে বাংলাদেশের জন্য, শামীম প্রমাণ করেছেন কেন তাঁকে এই দলে দরকার।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link