সুপার ওভারের নাটকীয়তায় কলকাতার জয়!

শামির অতিমানবীয়তায় সুপার ওভারে গেলেও সেখানে গিয়ে নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিতে ব্যর্থ হতে হয়েছে লখনৌ।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) নাটক হবে না তাই কি হয়? শ্বাসরুদ্ধকর শেষ ওভার, সুপার ওভারে সুনিল নারিনের ম্যাজিক, আর শেষটাতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জয়। সবই যেন সৃষ্টি করল এক নাটকে মোড়া রাতের অবিশ্বাস্য মূহুর্ত।

 

১৫৬ রান তাড়া করতে গিয়ে শেষ ওভারে জেতার জন্য লখনৌর প্রয়োজন ছিল ১৭ রান। বল হাতে দলকে জিতিয়ে আসা মোহাম্মদ শামি যেন রাতারাতি পরিণত হয়ে গেলেন পুরোদস্তুর ব্যাটারে। লখনৌ পাঁচ বলে এনে ফেলে দশ রান।

 

এক বলে সাত রান প্রয়োজন। কলকাতা এই জায়গায় মেনে নিতো ছক্কা হজম করা ছাড়া সবকিছুই। কার্তিক তিয়াগি ছাড়লেন ঘণ্টায় ১৫১ কিলোমিটার গতির এক বারুদ। কিন্তু, শামির ওপর যেন ভাগ্যবিধাতা কৃপা করেছিলেন। বাউন্ডারি ছাড়া করে ম্যাচ নিয়ে গেলেন সুপার ওভারে।

এত হৃদকম্পনের ভেতর দিয়ে সুপার ওভারে গিয়েই ভেঙে পড়লো লখনৌ। সুনীল নারিনের প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে ফিরে যান নিকোলাস পুরান। পান্ত সিঙ্গেল নিয়ে এইডেন মার্করামকে স্ট্রাইক দিলেই বল আকাশে ভাসান এই আফ্রিকান। দারুণ এক ক্যাচ নিয়ে বল তালুবন্দি করেন প্রথম ইনিংসে কলকাতার ত্রাতা হয়ে ওঠা রিংকু সিং।

 

গত ম্যাচে অর্ধশতক করে ম্যাচ জিতিয়েছিলেন। আজকেও লখনৌর বোলারদের শাসন করে ৫১ বলে ৮৩ রান করেছিলেন। সুপার ওভারে ২ রানের লক্ষ্যে সেই রিংকু সিংকেই সুপার ওভার খেলতে পাঠায় কেকেআর। আস্থার মর্যাদা রেখে প্রথম বলেই প্রিন্স যাদবকে চার হাঁকিয়ে নিশ্চিত করেন দলের জয়।

 

শামির অতিমানবীয়তায় সুপার ওভারে গেলেও সেখানে গিয়ে নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিতে ব্যর্থ হতে হয়েছে লখনৌ। কলকাতা জিতলো এবারের আইপিএলের প্রথম সুপার ওভার। লখনৌ দেখিয়ে দিল, এভাবেও ম্যাচ হারা যায়।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link