যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চল রে। রিঙ্কু সিং আজ একাই চলেছেন, সেই সাথে চালকের আসনে বসে টেনে নিয়ে গেছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের মুষড়ে পড়া ব্যাটিং লাইনআপ। টিপিক্যাল ফিনিশারের কাজটা করেছেন সুনিপুণ দক্ষতায়।
সবকিছু যখন শেষ হয়ে যায়, তখনই তো নায়করা শুরু করেন। ভাঙাচোরা মাস্তুলের হাল ধরেন কান্ডারি হয়ে। রিঙ্কু সিং সেই কাজটাই করলেন, দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া কলকাতাকে টেনে তুললেন।
সময়টা অনুকূলে নেই কলকাতার। এই দলটার মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে একের পর এক ব্যর্থতায়। আজও সেই একই দশা, ব্যাটিং অর্ডারের চরম বিপর্যয়। রিঙ্কু যখন ক্রিজে এলেন, মহসিন খানের তাণ্ডবে কলকাতা হারিয়ে বসেছে ৩১ রানে চার উইকেট।

একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে থেকে দেখেছেন বাকিদের অসহায় ফিরে যাওয়ার দৃশ্য। ৯৩ রানেই সাত উইকেট হারিয়ে ফেলার পর আর কিছুই যে বাকি থাকে না। তবে ন্যূনতম লড়াই করার পুঁজি তো চায়। রিঙ্কু তাই নিংড়ে দিলেন নিজের সমস্ত ক্ষমতা।
৫১ বলে ৮৩ রানের এক হার না মানা ইনিংস খেলেছেন। বিপর্যয়ে হাল ধরে থাকা কিংবা প্রয়োজন অনুযায়ী গিয়ার শিফট করে গতি বাড়িয়ে দেওয়া—রিঙ্কুর ইনিংস জুড়ে সবই ছিল। তাঁর কল্যাণেই দলও স্কোরবোর্ডে তুলেছে ১৫৫ রানের লড়াই করার মতো পুঁজি।
আসরের শুরুর দিকে নিজেকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না কোনোভাবেই। দলও তাই ডুবেছে। গত ম্যাচেই ফিফটি হাঁকিয়েছেন, দলকে জিতিয়েছেন সেখানেও। এই ম্যাচেও আরও এক ধ্বংসস্তূপ থেকে টেনে তুললেন কলকাতাকে। বুঝিয়ে দিলেন, এই দলটার একমাত্র ভরসা তিনি।

Share via:










