মিরাজ কি দলের বোঝা?

মিরাজ খেলে থাকেন অলরাউন্ডারের ভূমিকায়। কিন্তু, তাঁর ব্যাটিং নিয়ে শঙ্কিত হতেই হয়।

পরপর তিনটি ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। সবগুলোই দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে কাগজে-কলমে সাফল্য থাকলেও মেহেদী হাসান মিরাজকে নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। সেটা তাঁর খেলোয়াড়ি ভূমিকা হোক কিংবা অধিনায়কত্বের দায়, চোখ তোলা যায় উভয়দিকেই।

মিরাজ খেলে থাকেন অলরাউন্ডারের ভূমিকায়। কিন্তু, তাঁর ব্যাটিং নিয়ে শঙ্কিত হতেই হয়। এক কথায় বলতে গেলে তিনি যেন ব্যাটিং অর্ডারের গলার কাঁটা। মিরাজ বেশিরভাগ দিনই খেলতে নামেন ছয় কিংবা সাত নম্বরে। যেখানে কাজ হলো দ্রুত গতিতে ব্যাট চালিয়ে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যাওয়া নয়তো লক্ষ্য তাড়া করা।

ব্যাটার হিসেবে মিরাজের যে সক্ষমতা, তাতে এই কাজটা তাঁকে দিয়ে হয় না কোনোভাবেই। তিনি আরও বরং কমিয়ে দেন রানের গতি। তাঁকে খেলানোর জন্য আরেকটা জায়গা আছে, সেটা টপ অর্ডার। হিটিং এবিলিটি দিয়ে পাওয়ার প্লে কাজে লাগানো যেতে পারে। তবে সেটা কার্যত অসম্ভব। অর্থাৎ মিরাজের ব্যাটিং নিয়ে শান্তিতে থাকার জো নেই।

বল হাতেও মিরাজের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন রাখা যায়। স্পিন কন্ডিশনে কাজ চালিয়ে নেওয়া গেলেও ফ্ল্যাট উইকেটে তাঁর অপারগতা বিপাকেই ফেলবে দলকে। তবে মিরাজের আরেকটা মহাগুরুত্বপূর্ণ রোলও আছে। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক যে তিনি। সেখানে কতটা সফল তিনি?

অবশ্য পরিসংখ্যান দিয়ে সফলতা মাপতে গেলে মন্দ বলার উপায় নেই। তবে মাঠের উপস্থিত বুদ্ধি কিংবা সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট অপরিপক্কতা রয়েছে তাঁর। এই যেমন শেষ ম্যাচে নিউজিল্যান্ড যখন আট উইকেট হারিয়েছে, জেতার জন্য ১০০ রানের মতো বাকি, সেখানেও নাহিদ রানার মতো বোলারের হাতে বল দিয়েছেন মিরাজ। অথচ তাঁকে যথাসম্ভব আগলে রাখা উচিত। এমন না যে অপশন ছিল না, শরিফুল ইসলামের ওভার তখনও বাকি। এমন সব ডিসিশন একটা দলের জন্য বড় ইমপ্যাক্ট রাখে। সবশেষে তাই প্রশ্নটা চলেই আসে, মিরাজ এই দলের জন্য কতটা পারফেক্ট?

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link