অসম্ভবকে সম্ভব করে প্লে-অফে হায়দ্রাবাদ!

এই আসরে একটা ম্যাচেও ব্যাট হাসেনি গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের। কিন্তু, প্লে-অফের হিসাব-নিকাশের দিনে নিজের সবটুকু ঢেলে দেন তিনি। ৩৭ বল খেলে তুলেন ৭০ রান।

জিততে হতো ৮৫ রানের ব্যবধানে, নাহলে নেট রান রেটের গ্যাঁড়াকলে পড়ে যাওয়া হতো না প্লে-অফে। আপাতদৃষ্টিতে যা মনে হয়েছিল অসম্ভব, সেটাই করে দেখিয়ে হায়দ্রাবাদ কিংসম্যান প্রমাণ করে দিলো ক্রিকেটে অসম্ভব বলে কোনো শব্দ নেই। গণিতের সকল হিসাব-নিকাশের বেড়াজাল পার করে রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজকে ১০৮ রানে হারিয়ে তাঁরা জায়গা করে নিলো শেষ চারে।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান মার্নাস ল্যাবুশেন। কিন্তু, বাকি ব্যাটারদের তান্ডব চালানোর কারণে অবশ্য এতে খুব একটা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়নি হায়দ্রাবাদকে। উসমান খান, কুশাল পেরারা অর্ধশতক তুলে দলকে নিয়ে গেছেন বড় সংগ্রহের দিকে।

এই আসরে একটা ম্যাচেও ব্যাট হাসেনি গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের। কিন্তু, প্লে-অফের হিসাব-নিকাশের দিনে নিজের সবটুকু ঢেলে দেন তিনি। ৩৭ বল খেলে তুলে নেন ৭০ রান। কিংসম্যান গড়ে ২৪৪ রানের এক পাহাড়।

বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন পিন্ডিজের দুই ওপেনারই। উসমান খাজা এক প্রান্ত থেকে অসম লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও যোগ্য সঙ্গী পাননি কাউকেই।

প্লে-অফে পৌঁছুতেই হবে এই প্রতিজ্ঞা নিয়ে নামা কিংসম্যানের বোলারদের সামনে পড়ে একে একে সাজঘরে ফিরে যাওয়া ছাড়া আর কিছু করা সম্ভব হয়নি পিন্ডিজের ব্যাটারদের পক্ষে। খাজা অর্ধশতক তুললেও পিন্ডিজের ইনিংস থেমে যায় মাত্র ১৩৬ রানে।

লাহোর কালান্দার্স নেট রান রেটের হিসাবে এমন জায়গায় ছিল যে ভাবতেই পারেনি হায়দ্রাবাদের পক্ষে এই বাধা পার করা সম্ভব হবে। কিন্তু, প্রথম ইনিংসেই রানের পাহাড় গড়ে তাঁরা জানিয়ে দিয়েছিলো, চেষ্টা করা থামিয়ে দেওয়া যাবে না।  বোলারদের কৃতিত্বে ১৭ বল আগেই পিন্ডিজকে অল-আউট করে দিয়ে হায়দ্রাবাদ বলে দিলো, কষ্ট করলে প্লে-অফ নামের কেষ্ট মিলবেই।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link