পাকিস্তান সুপার লিগে প্রতি ম্যাচ যেন এখন জটিল গণিতের খাতা। প্লে-অফ কারা খেলবে আর বাদ পড়বে কারা তার জন্য হিসাব কষতে হয় প্রতিদিন। হারলেই হিসাব থেকে বাদ এমন পরিস্থিতিতে নেমে নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই লিখেছে লাহোর কালান্দার্স। পেশোয়ার জালমিকে প্রথম পরাজয়ের মুখোমুখি করে তারা এক পা রেখেছে প্লে-অফে।
এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা আশাব্যঞ্জক হয়নি পেশোয়ারের। অল্প রানেই ফেরেন ওপেনার জেমস ভিঞ্চ। ইনিংস বড় করতে পারেননি কুশাল মেন্ডিসও। এরপরই দলের কান্ডারি হয়ে আসেন বাবর আজম আর মাইকেল ব্রেসওয়েল।
ধারাবাহিকতার পুরস্কার হিসেবে আরেকটি অর্ধশতক তুলে নিয়ে বাবর সাজঘরে ফিরলে ভাঙে ৯৪ রানের জুটি। ব্রেসওয়েল ত্রাস সৃষ্টি করে খেলেন ৪৫ বলে ৮৩ রানের এক অনবদ্য ইনিংস। শেষ পর্যন্ত পেশোয়ার সংগ্রহ করে চার উইকেটে ১৯৯ রান।

২০০ রান তাড়া করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই মোহাম্মদ নাইম প্যাভিলিয়নে ফেরেন। ঝড়ো সম্ভাবনা দেখিয়েও ইনিংস বড় করা সম্ভব হয়নি আব্দুল্লাহ শফিকের পক্ষে। তখনই লাহোরের ভরসার নাম হয়ে দাঁড়ান ফখর জামান।
টানা চতুর্থ বারের মতো অর্ধশতাধিক রানের ইনিংস আসে ফখরের ব্যাট থেকে। সিকান্দার রাজা ২৯ রানের এক কার্যকরী ইনিংস খেলে পথটা সহজ করে দিয়েছিলেন। আর শেষে এসে মূল পেরেক ঠুকেন ডেনিয়েল শামস। লাহোর জিতে ছয় উইকেটে।
হারলেই বাদ পড়ে যেতে হতো। সেই জায়গাতেই নিজের সেরাটা খেললো লাহোর। যদিও প্লে-অফের জায়গার জন্য তাকিয়ে থাকতে হবে হায়দ্রাবাদ কিংসম্যানের দিকে। কিন্তু, নেট-রানের হিসেবে অনেক এগিয়ে থেকে তাঁরাই যে কোয়ালিফায়ারে সেটাই ধরে নিতে হয়।











