ওয়ার্নারের ব্যাটে প্লে-অফের আশা বাঁচিয়ে রাখলো করাচি!

টস জিতে বল করতে নেমে প্রথম ওভারেই করাচির হয়ে ডাবল আক্রমণ চালান হাসান আলি। রানের খাতা খোলার সুযোগ না দিয়েই ফেরান কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের দুই ওপেনারকে।

দুই ম্যাচ আগেও মনে হচ্ছিলো করাচি কিংসের প্লে-অফ খেলার সম্ভাবনা তলিয়ে যাচ্ছে শূন্যের দিকে। যদিও গানিতিকভাবে সম্ভব ছিল। পরপর দুই ম্যাচে তাড়া করতে নেমে দলকে জিতিয়ে অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার যেন গণিতকে পরিণত করছেন বাস্তবে।

টস জিতে বল করতে নেমে প্রথম ওভারেই করাচির হয়ে ডাবল আক্রমণ চালান হাসান আলি। রানের খাতা খোলার সুযোগ না দিয়েই ফেরান কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের দুই ওপেনারকে। তারপর কোয়েটাকে ম্যাচে ফেরানোর প্রয়াস চালান রাইলি রুশো আর অধিনায়ক সাউদ শাকিল।

রুশো তুলে নেন এবারের আসরে তাঁর চতুর্থ ফিফটি। খেলেন ৫৪ বলে ৯০ রানের ইনিংস। শাকিল করেন ৫৭ রান। শেষে দিনেশ চান্ডিমালের ১৭ বলে ৩০ রানে ভর করে কোয়েটা বোর্ডে জমা করে ১৯৫ রান।

তাড়া করতে নেমে ওপেনিংয়েই ৫৮ রানের জুটি গড়ে লক্ষ্য সহজ করে দেন করাচির দুই ওপেনার। জেসন রয় ফিরে গেলেও অন্য প্রান্তে অধিনায়ক ওয়ার্নার আক্রমণ চালিয়ে গেছেন সঙ্গী রেজা হেন্ড্রিকস সাথে নিয়ে।

১৯৬ রানের লক্ষ্য ছেলেখেলায় পরিণত করে ফেলেন ওয়ার্নার আর হেনড্রিকস মিলে। দুজনই খেলেন সমান ৪৮ বল করে। অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ৮৯ আর হেনড্রিকসের সংগ্রহ ৮৭ রান। করাচি জিতে যায় নয় বল হাতে রেখেই।

ওয়ার্নারের বয়স হলেও ব্যাট চালানোর শক্তিটা কমে যায়নি একবিন্দুও। তরুণ আফ্রিকান রেজা হেনড্রিকসকে সাথে পেয়ে কোয়েটাকে নয় উইকেটে হারিয়ে এই অজি যেন করাচির ভক্তদের বললেন, বন্ধু, আশা হারিয়ো না।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link