বড় লক্ষ্য, বড় প্রতিপক্ষ, তবে বাংলাদেশ থোড়াই কেয়ার। তাওহীদ হৃদয়ের দায়িত্বশীল নক আর শামীম পাটোয়ারীর ঝড়ে উড়ে গেল নিউজিল্যান্ড। ১৮৩ রানের লক্ষ্য হেসেখেলেই পার করল বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টিতেও যে এই দলটার সক্ষমতা আছে প্রতিপক্ষকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার।
এদিন বাংলাদেশের আমন্ত্রণে ব্যাটিং আসে নিউজিল্যান্ড। আর শুরু থেকেই দাপুটে ব্যাটিংয়ে ম্যাচের লাগাম টেনে ধরে তারা। ক্যাটেন ক্লার্ক আর ডিন ক্লেভারের চোখ তখন বড় সংগ্রহের দিকে। দুজনের ব্যাটে ফিফটিও আসে।
সাগরিকার উইকেটে বোলারদের কিছুটা বেগ পেতে হয়, সেই ধারা বজায় থাকে এ ম্যাচেও। তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমানদের ছাড়া একপ্রকার ছন্নছাড়া বোলিং করতে থাকে বাংলাদেশ। সেখানে আশার আলো হয়ে আসেন রিশাদ হোসেন। দুই সেট ব্যাটারকে তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরান বাংলাদেশকে। যদিও নিউজিল্যান্ড শেষটাতে ১৮২ রান জমা করে স্কোরবোর্ডে, তবুও অন্তত ৩০ রান কম করেছে কিউইরা।

ব্যাটিং উইকেট, ১৮৩ রানের লক্ষ্য খুব কঠিন কিছু নয়, তবে একেবারে সহজ বলারও উপায় নেই। ওপেনারদের কাছ থেকে ভালো শুরু দরকার বাংলাদেশের। আর সেই দাবি মেটানোর প্রয়াস দেখা গিয়েছিল তানজিদ হাসান তামিম আর সাইফ হাসানের মধ্যে। তবে দলীয় ৪১ রানের মাথায় নাথান স্মিথের শিকার হয়ে ফিরতে হয় সাইফকে।
তামিম-লিটনরা ইনিংস বড় করতে পারেননি, ৭৭ রানে তিন উইকেট হারিয়ে ফেলা বাংলাদেশের আকাশে জেগে ওঠে শঙ্কার মেঘ। সেখানেই হাল ধরেন, তাওহীদ হৃদয় আর পারভেজ হোসেন ইমন। ২৮ বলে ৫৭ রান আসে এই জুটি থেকে। ইমন ফিরে গেলেও আবারো উঁকি দেয় একটা প্রশ্ন, পারবে তো বাংলাদেশ?
আর সেই প্রশ্নের উত্তর দেন ফিনিশার শামীম। সব শঙ্কা উড়িয়ে দেন এক লহমায়। ১৩ বলে ৩১ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে এনে দেন ছয় উইকেটের বিশাল জয়।

Share via:











