দ্য ব্যাটেল অব গ্রেটস। সে লড়াইয়ে জিতলেন স্টিভেন স্মিথ। জোফরা আর্চারের মুখে পরাজয়ের হাসি। জোফরার বলে স্মিথের চার হাঁকানো পর তীর্যক মন্তব্য মোটেও পছন্দ হয়নি ইংলিশ বোলারের। তিনি তাই এগিয়ে গেলেন স্মিথের দিকে। দু’জনের চোখে-মুখে আগ্রাসন স্পষ্ট। বাকবিতণ্ডাও হল। কিন্তু বিবাদের শেষে জয়ের মুকুট উঠল স্মিথের মাথায়। ছক্কা হাঁকিয়ে জবাবটা দিলেন স্মিথ।
অ্যাশেজ সিরিজে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচে জয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে তখন অস্ট্রেলিয়া। ৬৫ রানের মামুলি লক্ষ্যমাত্রায় ইংল্যান্ডের ভীতি সৃষ্টির অবকাশ ছিল না বিন্দুমাত্র। তবুও ভয় ধরাতে চাইলেন জোফরা আর্চার। একের পর এক গতিশীল বাউন্সারে। তেমন এক দ্রুতগতির বাউন্সার ছুড়ে দিলেন স্মিথের দিকে। সেই বাউন্সার স্মিথের ব্যাটের আলতো খোঁচা নিয়ে চলে গেল সীমানার দিকে।

একটানা জোরের উপর বল করে যাচ্ছিলেন আর্চার। সাথে ছিল বাউন্সার। তবুও জয় নিশ্চিত জেনে তাঁতিয়ে দিতে চাইলেন আর্চারকে। বললেন, ‘আরও জোরে বল করো’। সে কথা মোটেও পছন্দ হয়নি জোফরা আর্চারের। তিনি এগিয়ে গেলেন স্মিথের দিকে। সম্ভবত বললেন, ‘দেখাচ্ছি তোমাকে’। এরপর ১৫৫ কিলোমিটার গতির একটা বলকে স্মিথের কাঁধ বরাবর ছুড়লেন আর্চার।
সেই বলটাকে হুক শটে ফাইন লেগ দিয়ে ছক্কা হাঁকালেন। এরপর হাত দিয়ে ক্যামেরার ইশারা করে তা তাক করে রাখলেন আর্চারের দিকে। তখন ইংলিশ বোলার চোখেমুখে রাজ্যের হতাশা। সেই হতাশার ধূসরতাকে কিছুক্ষণ বাদেই পরাজয়ের অন্ধকারে পরিণত করে দিলেন স্মিথ। গাস অ্যাটকিনসনের বলকে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে ছক্কায় পরিণত করেন স্টিভেন স্মিথ। মেতে ওঠেন বুনো উল্লাসে।

তাতে করে সিরিজে দ্বিতীয় জয় যুক্ত হয়ে যায় অজিদের ঝুলিতে। এবারের অ্যাশেজে অজিদের দাপটের সামনে পাত্তাই পাচ্ছে না ইংরেজদের কোন আগ্রাসন। ব্যাটে-বলে প্রতিটা মুহূর্তে নাস্তানাবুদ হতে হয়েছে সফরকারীদের।











