বাংলাদেশ ক্রিকেটে বোলারদের গল্পটা খুব বেশি আশার গল্প বলে না। তাই, ফাইফারের তালিকাটাও খুব দীর্ঘ নয়। মাত্র পাঁচজন বাংলাদেশি বোলার ওয়ানডেতে একাধিক ফাইফার নিয়েছেন।
শুরুটা করেছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে তিনি শুধু ম্যাচ জেতাননি, তৈরি করেছিলেন ইতিহাসের দরজা। এরপর অনেকটা সময় পেরিয়ে আসে নতুন এক ঝড়—মুস্তাফিজুর রহমান।

২০১৫ সালে ভারতের বিপক্ষে তার সেই অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স আজও বাংলাদেশের ক্রিকেটে এক মাইলফলক হয়ে আছে। খুব অল্প সময়েই তিনি বুঝিয়ে দেন, বড় মঞ্চে কিভাবে আলো কেড়ে নিতে হয়।
এরপর সেই তালিকায় যোগ হয় সাকিব আল হাসানের নাম। ২০১৯ বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে পাঁচ উইকেট নিয়ে নিজের দ্বিতীয় ফাইফার পূর্ণ করেন তিনি—যেখানে অভিজ্ঞতা আর দক্ষতা একসাথে মিশে গিয়েছিল।

নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করে আসেন তাসকিন আহমেদ। ২০২২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে তার ফাইফার যেন প্রমাণ করে—বাংলাদেশি পেসাররাও এখন বিদেশের কঠিন উইকেটে দাপট দেখাতে জানে।
আর সবশেষে, সবচেয়ে নতুন নাম—নাহিদ রানা। পাকিস্তান সিরিজের পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও ফাইফার তুলে নিয়ে তিনি যেন জানান দিলেন, বাংলাদেশ ক্রিকেটে আরেকটি গতির গল্প শুরু হয়েছে।

সময়ের দিক থেকে এখানে সবচেয়ে এগিয়ে মুস্তাফিজ, মাত্র ২ ম্যাচেই দুই ফাইফার! তার ঠিক পরেই নাহিদ রানা, মাত্র ১০ ম্যাচে। তাসকিন নিয়েছেন ৪৮ ম্যাচ, রাজ্জাক ৮৬ ম্যাচ, আর সাকিব—দীর্ঘ ২০৪ ম্যাচ পরে পৌঁছেছেন এই মাইলফলকে।










