পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচন ঘিরে তৎপরতা এখন তুঙ্গে। অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচন আয়োজন করতে চাইছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী আগামী ৬ জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও, জুন মাসেই ভোট আয়োজনের ব্যাপারে প্রায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচন ঘিরে তৎপরতা এখন তুঙ্গে। অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচন আয়োজন করতে চাইছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ। নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী আগামী ৬ জুলাইয়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও, জুন মাসেই ভোট আয়োজনের ব্যাপারে প্রায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিসিবি সভাপতি ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, জুনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং খুব শিগগিরই তফসিল ঘোষণা করা হবে। এ লক্ষ্যে অ্যাডহক কমিটির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যেই নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হতে পারে। জানা গেছে, দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি বোর্ড সভা ডেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে।

নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় একটি পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে নেতৃত্বে। বর্তমান সভাপতি তামিম ইকবাল নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য আগেই পদত্যাগ করবেন। যদিও গঠনতন্ত্রে অ্যাডহক কমিটির সদস্যদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে সরাসরি কোনো বাধা নেই, তবুও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে পদত্যাগের পথ বেছে নিতে পারেন তিনি। তাঁর পাশাপাশি ফাহিম সিনহা, ইব্রাহিম আহমেদ এবং আরও কয়েকজন সদস্যও একই পথে হাঁটতে পারেন বলে আলোচনা চলছে।

অ্যাডহক কমিটি ইঙ্গিত দিয়েছে, যারা নির্বাচনে অংশ নেবেন তারা সবাই পদত্যাগ করবেন। ফলে নির্বাচনকে সামনে রেখে বোর্ডে একটি বড় ধরনের পুনর্গঠনের আভাস মিলছে। গুঞ্জন আছে তামিম ইকবালের সাথেই নির্বাচন করতে দেশে ফিরে এসেছেন ইসমাইল হায়দার মল্লিক। গেল নাজমুল হাসান পাপনের বোর্ডে তিনি গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। বোর্ডে কিংবা বাংলাদেশ ক্রিকেটের অনেক কলকাঠিই নেড়েছেন তিনি।  প্রায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদক তার বিরুদ্ধে মামলাও করেছে।

এদিকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। বিভাগীয় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থাগুলোর নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এসব কমিটি দ্রুত নির্বাচন সম্পন্ন করবে এবং সেখান থেকেই নির্বাচিত হবেন বিসিবির কাউন্সিলররা, যারা পরে বোর্ড নির্বাচনে ভোট দেবেন বা প্রার্থী হবেন।

সব মিলিয়ে, জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহকে সামনে রেখে বিসিবির নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি দ্রুত এগোচ্ছে। নেতৃত্বে পরিবর্তন, পদত্যাগের সম্ভাবনা এবং তৃণমূল পর্যায়ে নির্বাচন—সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে সামনে আসছে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link