সাকিবের কল্যাণে এমিরেটস ফাইনালে

শারজাহয়ের বুকে সাকিব সাকিব স্লোগান। ব্যাটে-বলে সেই পুরনো সুরে সাকিব আল হাসান শোনালেন নিজের শ্রেষ্ঠত্বের গান।

শারজাহয়ের বুকে সাকিব সাকিব স্লোগান। ব্যাটে-বলে সেই পুরনো সুরে সাকিব আল হাসান শোনালেন নিজের শ্রেষ্ঠত্বের গান। এমআই এমিরেটসকে সঙ্গী করে তিনি পা বাড়ালেন আরও এক অর্জনের দিকে। সেই ভিনটেজ অলরাউন্ডার, যিনি এক সময় রাজ করেছেন গোটা বিশ্বে, ঠিক সেই সাকিবের এক বিবর্তিত রুপ হয়ে শারজাহতে পারফরমেন্সের প্রতিবিম্ব ফুটিয়ে তুললেন সাকিব।

প্রথমে এমআই এমিরেটসের হয়ে ম্যাচ জয়ের কাজটা বল হাতে সহজ করে নেন সাকিব। চার ওভারে রান বিলিয়েছেন মাত্র ২০টি। উইকেট পাননি। তবে সতীর্থদের উইকেট পাওয়ার মঞ্চ প্রস্তুত করে দিয়েছিলেন তিনি। সাকিবের সৃষ্টি করা সেই অসহ্য চাপের বলয়ে হাপিত্যেশ করেছে আবু ধাবি নাইট রাইডার্স ব্যাটাররা।

শত প্রচেষ্টার পর সর্বসাকুল্যে ১২০ রান আবু ধাবির স্কোরবোর্ডে। এতটুকু পথ আসতেই তাদের হারাতে হয়েছে আটটি উইকেট। কেরামতি ওই সাকিবের। এরপর ব্যাট হাতে প্রায় অসাড় হয়ে যাওয়া সাকিবকে পাঠানো হল মিডল অর্ডারে। দলের চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে। এবার সাকিবের গায়ে যেন ভর করল সেই ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সাকিবের অবতার।

ব্যাস, এবার আর থামায় কে! সাকিবের ব্যাট বনে গেল দুর্দমনীয়। রান এলো ২৪ বলে ৩৮। পাঁচ খানা চার এক খানা ছক্কা। স্ট্রাইকরেট ১৫৮। সেই সময়েই মরুর বুকে ওঠে সেই চিরচেনা স্লোগান, ‘সাকিব, সাকিব’। এমন অনবদ্য পারফরমেন্সের দিনে তিনি যে দর্শকদের কাছ থেকে প্রশংসায় ভাসবেন সেটাই তো স্বাভাবিক, সেটাই তো হওয়া উচিত।

সাকিব অবশ্য ম্যাচটা শেষ করে আসতে পারেননি। তবে ১১৮ রানের মাথায় যখন তিনি আউট হলে তখন, এমআই এমিরেটসের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল স্রেফ তিন রান। দলকে একেবারে জয়ের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। তাতে করে সাত উইকেট ও ২৩ বল হাতে রেখে আইএল টি-টোয়েন্টির ফাইনালে পৌঁছে যায় এমআই এমিরেটস।

 

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link