অ্যাশেজ ২০২৫-২৬ সিরিজে ব্যাট-বলের লড়াইয়ে বোলারদেরই আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। দীর্ঘ পাঁচ টেস্টের এই মর্যাদাপূর্ণ দ্বৈরথে দুই দলের পেসারেরা ধারাবাহিকভাবে ব্যাটসম্যানদের চাপে রেখেছেন। সদ্য সমাপ্ত অ্যাশেজে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলারদের নিয়ে থাকছে আজকের আয়োজন।
- বেন স্টোকস (১৫টি উইকেট)

ব্যাট হাতে উল্লেখযোগ্য কিছু করতে না পারলেও বল হাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন বেন স্টোকস। সিরিজে তিনি ১০১.১ ওভার বোলিং করে সংগ্রহ করেন ১৫টি উইকেট। পার্থ টেস্টে ২৩ রানের বিনিময়ে ৫ জন ব্যাটারকে ড্রেসিং রুমে ফেরান ইংলিশ অধিনায়ক।
- মাইকেল নেসার (১৫টি উইকেট)

অল্প ম্যাচ খেলেও প্রভাব রাখতে পেরেছেন অস্ট্রেলিয়ার মাইকেল নেসার। মাত্র তিনটি টেস্টে ছয় ইনিংসে তিনি তুলে নেন ১৫টি উইকেট। দুইবার শিকার করেছেন চার উইকেট এবং একবার পাঁচ উইকেট , যেখানে তার সেরা বোলিং ছিল ৫/৪২।
- জশ টাং (১৮টি উইকেট)

তিনটি টেস্টে ছয়টি ইনিংস খেলে ১৮ উইকেট শিকার করেছেন ইংলিশ পেসার জশ টাং। তাঁর ঝুলিতে ছিল একটি পাঁচ উইকেট ও একটি চার উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব। সেরা বোলিং ফিগার ছিল ৪৫ রান দিয়ে ৫ উইকেট।
- স্কট বোল্যান্ড (২০টি উইকেট)

তৃতীয় স্থানে থাকা অস্ট্রেলিয়ার স্কট বোল্যান্ড ছিলেন দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য অস্ত্র। পাঁচ টেস্টে ২০টি উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি তিনিই সিরিজে সবচেয়ে বেশি তথা ১৫৯.৫ ওভার বোলিং করেন। তাঁর সেরা পারফরম্যান্স ছিল ৩৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেওয়া।
- ব্রাইডন কার্স (২২টি উইকেট)

ইংল্যান্ডের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন ব্রাইডন কার্স। পাঁচ টেস্টে নয়টি ইনিংস খেলে তিনি সংগ্রহ করেন ২২টি উইকেট, যা তাকে সিরিজের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির আসনে বসায়।
- মিচেল স্টার্ক (৩১টি উইকেট)

অস্ট্রেলীয় পেস আক্রমণের ধারক মিচেল স্টার্ক এই সিরিজেও ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। বোলিং ঝড়ে প্রতিপক্ষকে কুপোকাত করে তিনি একাই ঝুলিতে পুরেছেন ৩১টি উইকেট। সেই সুবাদে সিরিজের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির ট্যাগটিও তাঁর নামের পাশেই। প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসেই ৫৮ রান দিয়ে ৭ উইকেট নিয়ে ইংলিশ ব্যাটিং আক্রমণকে একা হাতে ধ্বসে দেন স্টার্ক। যা ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা স্পেল।










