বাংলাদেশ প্রঙ্গে নীরব ভূমিকা নিশ্চিত করলো বিসিসিআই

মুস্তাফিজুর রহমানকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া সাম্প্রতিক বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলেছে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)। তবে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার আবেদনের বিষয়ে সরাসরি কোনো অবস্থান নেয়নি ভারতীয় বোর্ড।

মুস্তাফিজুর রহমানকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া সাম্প্রতিক বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলেছে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)। তবে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার আবেদনের বিষয়ে সরাসরি কোনো অবস্থান নেয়নি ভারতীয় বোর্ড।

শুক্রবার ব্যাঙ্গালুরুর সেন্টার অব এক্সিলেন্সের কার্যক্রম পর্যালোচনা করতে বিসিসিআইয়ের শীর্ষ পর্যায়ের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক পরবর্তী সময়ে বিসিসিআই সচিব সাইকিয়ার কাছে প্রশ্ন ওঠে বাংলাদেশ-ভারতের সাম্প্রতিক বহুল আলোচিত ঘটনা নিয়ে।

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার বর্তমান কূটনৈতিক ও ক্রিকেটীয় প্রেক্ষাপটে আইপিএল স্কোয়াড থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ পরবর্তী বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের আবেদন প্রসঙ্গে। সেক্ষেত্রে বিসিসিআইয়ের নীরব ভূমিকার কথা জানান বোর্ডের এই শীর্ষ ব্যাক্তিত্ব।

এই প্রশ্নের উত্তরে সাইকিয়া স্পষ্ট করেন, ‘আমাদের এই বৈঠক মূলত সেন্টার অব এক্সিলেন্স ও অন্যান্য ক্রিকেটসংক্রান্ত বিষয় নিয়েই ছিল। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ বা ম্যাচ আয়োজনের স্থান নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া আমাদের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি।’

মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিসিসিআই সভাপতি মিঠুন মানহাস, সহ সভাপতি রাজীব শুক্লা এবং ক্রিকেট অব এক্সিলেন্স এর বিভাগীয় প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিবর্গ।

সাম্প্রতিককালে ক্রিকেটপাড়ার সবচেয়ে আলোচ্য বিষয় বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেটীয় ও রাজনৈতিক দ্বৈরথ হলেও এই নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি বিসিসিআই। অবশেষে এই প্রসঙ্গে কথা বললেও, তাদের নীরব ভূমিকার কথাই যেন জানান দেন ভারতীয় এই বোর্ড সচিব।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link