গম্ভীর+বিরাট+রোহিত = বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল?

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখনো কোনো দল টানা দুই বার শিরোপা জিততে পারেনি।  সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই এবার নিজেদের ঘরের মাঠে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে ভারত। আসন্ন ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্বাগতিক হিসেবে চাপ যেমন থাকবে, তেমনি থাকবে প্রত্যাশার পাহাড়। 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এখনো কোনো দল টানা দুই বার শিরোপা জিততে পারেনি।  সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই এবার নিজেদের ঘরের মাঠে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে যাচ্ছে ভারত। আসন্ন ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্বাগতিক হিসেবে চাপ যেমন থাকবে, তেমনি থাকবে প্রত্যাশার পাহাড়।

তবে সেই চাপের মাঝেও ভারতকে হালকাভাবে দেখার অবকাশ দেখছেন না সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথ। তাঁর মতে,  তরুণদের নিয়ে গড়া ভারতীয় এর দলটি অন্ততপক্ষে সেমিফাইনাল খেলবেই।

ডারবানে টাইমস অব ইন্ডিয়া কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্মিথ বলেন, বর্তমানে ভারতীয় ক্রিকেট একটি আকর্ষণীয় রূপান্তরপর্বের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গৌতম গম্ভীরের উপস্থিতি, সিনিয়র ক্রিকেটারদের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব, সব মিলিয়ে পরিবর্তনের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে দলটি।

স্মিথের ভাষ্যমতে, ভারতের প্রতিভার গভীরতা এতই যে তাদের কখনোই বাতিলের খাতায় ফেলা যায় না। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ মানেই আলাদা এক চ্যালেঞ্জ, তবে একই সঙ্গে দারুণ একটি সুযোগও।

নেতৃত্বের পরিবর্তন, তরুণদের নিয়ে দলের রূপান্তর এখন বিশ্বমঞ্চে কীভাবে এগোয়, সেটাই দেখার বিষয়। তবে প্রতিভার বিচারে ভারত শেষ চারের বাইরে থাকলে সেটি হবে বড় চমক।

বিশ্বকাপে নিজের দেশ দক্ষিণ আফ্রিকাকে আবারও ফাইনালে ভারতের বিপক্ষেই দেখতে চান স্মিথ। চলমান এসএ-টোয়েন্টি লিগের মাঝে এ কথা বলতে গিয়ে স্মিথ জানান, প্রোটিয়া স্কোয়াড যথেষ্ট ভারসাম্যপূর্ণ। বিশেষ করে ভারতের কন্ডিশনে মিডল অর্ডারে স্পিন খেলার সক্ষমতা দলটির বড় শক্তি বলেই মনে করেন তিনি।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link