বেলা গড়াচ্ছে, সন্ধ্যা নামছে। বিরাট কোহলির ক্ষুধা কমার কোনো নাম-গন্ধ নেই। তিনি আপন তালে মাতিয়ে রাখছেন ক্রিকেট দুনিয়া। ভারতে কিংবা ডাউন আন্ডারে, ঘরোয়া ক্রিকেট কিংবা আন্তর্জাতিক ময়দান বিরাট কোহলির ব্যাট যেন এক লাগামহীন পাগলা ঘোড়া, যে শুধু ছুটতে জানে, থামতে জানে না, বিশ্রাম নিতে জানে না।
বিরাট কোহলির ব্যাটিং দেখার মত বিরক্তিকর কোনো কাজ যেন এখন আর নেই। তিনি রোজ নামবেন, ওয়ান ডাউনে। এসেই রান করবেন। কোথায় খেলা হচ্ছে, উইকেট কেমন, প্রতিপক্ষ কে, বোলারই বা কে – এত সব ভাবার তাঁর সময় নেই। যেমন বিজয় হাজারে ট্রফিতে রান করেন, তেমনি করেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে।
একটা ইনিংস যেখানে শেষ হয়, সেখান থেকেই যেন পরেরটা খেলতে নেমে যান বিরাট কোহলি। এই লোকটা কি ভিন্নগ্রহের কেউ? একই ভাবে, একই ধাঁচে কিভাবে তিনি ব্যাট করে যান?

গেল সাতটা লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে অসম্ভব রকমের ধারাবাহিক কিং কোহলি। এর মধ্যে পাঁচটাই আন্তর্জাতিক ম্যাচ, দুইটি ঘরোয়া ক্রিকেট। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ছিল তার দু’টো সেঞ্চুরি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও সিরিজটা শুরু করতে চেয়েছিলেন তিন অঙ্কের ম্যাজিক্যাল ফিগার ছুঁয়ে। চেজ মাস্টারের ব্যাটে চেপে ম্যাচ জিতেছে টিম ইন্ডিয়া।
কিন্তু বিরাটের আর সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি। মিড অফে মাইকেল ব্রেসওয়েলের দুর্ধর্ষ ক্যাচে আউট হতে হয়েছে কিং কোহলিকে। এদিন কোহলি ৯১ বলে ৯৩ রানে ঘটে তার ইনিংসের সমাপ্তি। সাতটা রানের আক্ষেপ নিয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন তিনি।
বিরাট কোহলি নিজেও জানেন, তাঁর হাতে আর বেশি একটা সময় নেই। খুব বেশি হলে আর বড় জোর একটা ওয়ানডে বিশ্বকাপ। এর আগে যতটা সময় পাচ্ছেন বিনোদন নিয়ে যাচ্ছেন, নিজেও উপভোগ করছেন। সাথে রেখে যাচ্ছেন ছোটখাটো আক্ষেপের গল্পগুলি।











