২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বড় ধরনের ভিসা সংক্রান্ত উদ্যোগ নিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ভারতে অনুষ্ঠিতব্য এই বৈশ্বিক আসরে অংশ নিতে যাওয়া পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মোট ৪২ জন খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনে সরাসরি সমন্বয়ের দায়িত্ব নিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
ইংল্যান্ড দলের হয়ে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের মধ্যে আছেন আদিল রশিদ, রেহান আহমেদ ও সাকিব মাহমুদ। যুক্তরাষ্ট্র দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন আলি খান ও শায়ান জাহাঙ্গীর। আর নেদারল্যান্ডস দলে রয়েছেন জুলফিকার সাকিব।
প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার (পিটিআই) তথ্যমতে, ইংল্যান্ডের তিন ক্রিকেটার তথা রশিদ, রেহান ও সাকিবের ভিসা ইতোমধ্যেই অনুমোদন পেয়েছে। নেদারল্যান্ডস দলের সদস্যদের ভিসাও সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে কানাডা দলের স্টাফ সদস্য শাহ সালিম জাফারকে দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র।

এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও কানাডার দলে থাকা পাকিস্তানি নাগরিকত্বধারী বা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের ভিসা প্রক্রিয়াও দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দলগুলোর জন্য আগামী সপ্তাহের শুরুতেই ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে, যা প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে। আইসিসির নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, অংশগ্রহণকারীদের ভিসা ইস্যুর শেষ সময়সীমা ৩১ জানুয়ারি।
ভিসা সহায়তা কার্যক্রম পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে বলে আইসিসির বিশ্বাস, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগেই সব অংশগ্রহণকারী দল লজিস্টিক দিক থেকে সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকতে পারবে।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়ায় সাধারণত বাড়তি যাচাই বাছাই করা হয় এবং সময়ও তুলনামূলক বেশি লাগে। এই ভিসা প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখতেই আইসিসি বিভিন্ন মহাদেশে অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে। বাকি থাকা আবেদনগুলোও নির্ধারিত সময়ের ভেতরেই সম্পন্ন হওয়ার আশ্বাস দিয়েছে ভারতীয় হাইকমিশনগুলো।











