বিগ ব্যাশে পাকিস্তানিদের কঠিন সময়!

বিগ ব্যাশ যেন পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের জন্য কঠিন বাস্তবতার মঞ্চ। মাঠে নামছে বড় নাম, সঙ্গে বড় প্রত্যাশা। অথচ একের পর এক ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে উঠছে, পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের জন্য এই জায়গাটা নয়, কিংবা খেলাটার সাথে মানিয়ে নিতে পারছেন না মোহাম্মদ রিজওয়ান কিংবা বাবর আজমরা।

বিগ ব্যাশ যেন পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের জন্য কঠিন বাস্তবতার মঞ্চ। মাঠে নামছে বড় নাম, সঙ্গে বড় প্রত্যাশা। অথচ একের পর এক ঘটনায় স্পষ্ট হয়ে উঠছে, পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের জন্য এই জায়গাটা নয়, কিংবা খেলাটার সাথে মানিয়ে নিতে পারছেন না মোহাম্মদ রিজওয়ান কিংবা বাবর আজমরা।

শুরুটা শাহিন শাহ আফ্রিদিকে দিয়েই। পাকিস্তানের পেস আক্রমণের পোস্টারবয়, যাঁর ইয়র্কারে কাঁপে বিশ্ব ক্রিকেট। কিন্তু বিবিএলে সেই শাহিনকেই এক ম্যাচের মাঝপথে আক্রমণ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। কারণটা ছিল এক ওভারে দুই বিমার মেরেছিলেন। শুধু তাই নয় প্রতিটি ম্যাচে যেন ছিলেন রান দেওয়ার মেশিন।

এরপর আসে মোহাম্মদ রিজওয়ানের প্রসঙ্গ। পাকিস্তানের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যাটারদের একজন। কিন্তু বিবিএলে ধীরগতির ব্যাটিং করায় মেলবোর্ন রেনেগেডটস অধিনায়কের বিরক্তির কারণ হয়ে তাঁকে মাঠ ছাড়তে হয় রিটায়ার্ড আউট হয়ে।

দল চেয়েছে দ্রুত রান, চেয়েছে ভিন্ন গিয়ার। রিজওয়ানের ইনিংস হয়তো খারাপ ছিল না, কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান দর্শনে সেটি যথেষ্ট গতিময় ছিল না, এই মূল্যায়নই শেষ পর্যন্ত জায়গা করে নেয় সিদ্ধান্তে।

সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা অবশ্য বাবর আজমকে ঘিরে। পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড, সাবেক অধিনায়ক, সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটার। কিন্তু বিবিএলের মাঠে বাবরও যে কেবল একজন খেলোয়াড়, এই বার্তাটা সবচেয়ে স্পষ্টভাবে আসে এক ছোট্ট মুহূর্তে। একটি সহজ সিঙ্গেল নিতে চেয়েছিলেন বাবর, কিন্তু অপর প্রান্ত থেকে স্টিভ স্মিথ সরাসরি ‘না’ করে দেন। পরে অবশ্য স্মিথ ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালান। বাবর ব্যর্থতা সঙ্গে করে অপমানিত হয়ে মাঠ ছাড়েন।

এই তিনটি ঘটনাই আসলে একই সুতোয় গাঁথা। পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা যাঁরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন, ম্যাচ জিতিয়েছেন, তাঁরাও বিবিএলে এসে পড়ছেন এক নতুন পরীক্ষার মুখে। অস্ট্রেলিয়ান ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে মানিয়ে নেওয়ার এই লড়াই সহজ নয়।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link