ক্রিকেট ইতিহাসে দ্রুততম বিশ হাজার রানের ইতিকথা

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কুড়ি হাজার সংগ্রহ করা মোটেই চাট্টেখানি কথা নয়। ক্রিকেট ইতিহাসে কেবল ১৪জন ব্যাটার আজ অবধি এই মাইলফলক স্পর্শ করতে পেরেছে। নিঃসন্দেহে এই ক্লাবে প্রবেশ করতে হলে প্রয়োজন হয় চরম দক্ষতা ও পরম সাধনার। সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে এই অসাধ্য সাধন করা পাঁচ কিংবদন্তিকে নিয়ে থাকছে খেলা ৭১ এর আজকের আয়োজন ।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিশ হাজার সংগ্রহ করা মোটেই চাট্টেখানি কথা নয়। ক্রিকেট ইতিহাসে কেবল ১৪জন ব্যাটার আজ অবধি এই মাইলফলক স্পর্শ করতে পেরেছে। নিঃসন্দেহে এই ক্লাবে প্রবেশ করতে হলে প্রয়োজন হয় চরম দক্ষতা ও পরম সাধনার। সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে এই অসাধ্য সাধন করা পাঁচ কিংবদন্তিকে নিয়ে থাকছে খেলা ৭১ এর আজকের আয়োজন ।

  • ব্রায়ান লারা 

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেট আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বলতম নক্ষত্রটির নাম ব্রায়ান লারা। ৫১২ ইনিংসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিশ হাজার রান সংগ্রহ করেছিলেন এই ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি। দল যখন বারবার চাপের মুখে পড়েছে, তখন একা লড়াই করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা ছিল তাঁর। ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ২২,৩৫৮ রান নিয়ে।

  • রিকি পন্টিং

৫০০ ইনিংসের ঘর পেরিয়ে, ঠিক ৫০১ ইনিংসে ২০ হাজার আন্তর্জাতিক রান পূর্ণ করেন রিকি পন্টিং। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং, প্রবল আত্মবিশ্বাস আর বড় ম্যাচে আধিপত্য বিস্তারের ক্ষমতা তাঁকে শুধু একজন দুর্ধর্ষ ব্যাটসম্যানই নয়, বরং ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সফল অধিনায়কে পরিণত করেছে। ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছে ২৭, ৪৮৩ রান নিয়ে।

  • শচীন টেন্ডুলকার

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সাম্রাজ্যে সর্বোচ্চ রান কিংবা শতক নিয়ে সবচেয়ে সম্মানিত আসনে রয়েছে যে নামটি, তিনিই শচীন টেন্ডুলকার। ৪৯৩ ইনিংসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০ হাজার রানের গণ্ডি পেরোন শচীন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অসামান্য ধারাবাহিকতা, নিঃশব্দ আত্মবিশ্বাস আর লড়াকু মানসিকতায় ভারতের ব্যাটিংয়ের ভার কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন ‘লিটল মাস্টার’। ক্যারিয়ার শেষ করেছেন ৩৪,৩৫৭ রান নিয়ে!

  • কুমার সাঙ্গাকারা

৪৭৫ ইনিংসে ২০ হাজার আন্তর্জাতিক রান করে নিজের জাত আলাদা করে চিনিয়েছিলেন কুমার সাঙ্গাকারা। তাঁর ব্যাটিংয়ে ছিল সৌন্দর্য আর স্থিরতার মেলবন্ধন। তাঁর পরিমিত শট নির্বাচন, শান্ত মেজাজ আর টেকনিক্যাল দৃঢ়তা বহু বছর ধরে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইনআপকে ভরসা জুগিয়েছে। গোটা ক্যারিয়ারে সংগ্রহ করেছেন ২৮,০১৬ রান।

  • বিরাট কোহলি

বিরাট কোহলিকে এক পাশে সরিয়ে আধুনিক ক্রিকেটকে সংজ্ঞায়িত করতে চাইলে, তা কোনোদিনই সম্ভব হয়ে ওঠবে না। ব্যাট হাতে কীভাবে গোটা বিশ্বকে শাসন করতে হয়, এই প্রজন্ম তা শিখেছে দিল্লির সেই চিকু থেকেই। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২০ হাজার রান পূর্ণ করতে বিরাটের প্রয়োজন হয়েছে মাত্র ৪৫৫টি ইনিংসের। যা গোটা ক্রিকেট ইতিহাসেই এই দ্রুততম। নিখুঁত ফিটনেস, অতুলনীয় দক্ষতা আর বড় ইনিংস খেলার অদম্য ক্ষুধা তাঁকে সব ফরম্যাটেই এক অনন্য ব্যাটারে পরিণত করেছে।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link