বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত টি-টেন লিগে ফিক্সিংয়ের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাটার অ্যারন জোনসকে পাঠানো হয়ে নির্বাসনে। সাময়িকভাবে তাকে সব ধরনের ক্রিকেটে নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতিমূলক প্রস্তাব গোপন রাখা এবং চলমান তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা না করার অভিযোগও আনা হয়েছে।
ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ (সিডব্লিউআই) এবং আইসিসির অ্যান্টি করাপশনের নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগগুলো মূলত ২০২৩-২৪ মৌসুমে বার্বাডোজে অনুষ্ঠিত টি-টেন টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ সংশ্লিষ্ট আরও দু’টি অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে, যেগুলো আইসিসির অ্যান্টি করাপশন কোডের আওতাভুক্ত।
নিউইয়র্কে জন্ম নেওয়া ৩১ বছর বয়সী অ্যারন জোনস নিয়মিতভাবেই যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে খেলেছেন। তিনি এখন পর্যন্ত ৫২টি ওয়ানডে এবং ৪৮টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নিয়েছেন দেশটির হয়ে।

২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে কানাডার বিপক্ষে ৪০ বলে অপরাজিত ৯৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। সেই ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের জয়ের বড় নায়ক ছিলেন জোনস। যা ওই বছর সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম স্মরণীয় পারফরম্যান্স হিসেবে বিবেচিত হয়।
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ এ যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক স্কোয়াডেও ছিলেন তিনি। তবে বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত যেন তার ক্রিকেটীয় ক্যারিয়ারকেই হুমকির মুখে ফেললো।
ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের অ্যান্টি করাপশন কোড অনুযায়ী, আলোচ্য টুর্নামেন্টে ম্যাচের বিভিন্ন দিক ফিক্স করা বা ফিক্স করার চেষ্টা করা, দুর্নীতিমূলক প্রস্তাব গোপন রাখা এবং নির্ধারিত অ্যান্টি করাপশন কর্মকর্তার যৌক্তিক তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ রয়েছে জোনসের বিরুদ্ধে।

আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযোগগুলো একটি বৃহত্তর তদন্তের অংশ। সংস্থাটি ইঙ্গিত দিয়েছে, তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও ক্রিকেটারের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হতে পারে।
বর্তমানে অ্যারন জোনস সব ধরনের ক্রিকেট থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ। ২৮ জানুয়ারি থেকে অভিযোগের বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য তার হাতে সময় থাকবে দুই সপ্তাহ।










