চলমান অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপে বাংলাদেশ ক্রিকেটে প্রথমবারের মতো পরিচিত হয় ইম্প্যাক্ট প্লেয়ার কিংবা সুপার সাবস্টিটিউটের সাথে। সর্বপ্রথম সাবস্টিটিউট হিসেবে মাঠে নামেন জাওয়াদ আবরার। তবে এটাই বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম সুপার সাব না।
আবরার মাঠে নামার সময় ধারাভাষ্যকক্ষ থেকে শোনা যায়, টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে এটাই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে সুপার সাব হলেও ওয়ানডেতে এই ভূমিকা আরও অনেক আগেই পার করে এসেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল।
এই ঘটনাটি বলতে গেলে, ফিরে যেতে হবে দুই দশক আগে।বর্তমানের ক্রিকেট মানচিত্রে ভারত-পাকিস্তান কিংবা এশীয় ক্রিকেটারদের এক ড্রেসিংরুমে থাকাটা যেখানে কল্পনাতীত, অথচ তখন নিয়মিত আয়োজিত হতো আফ্রো এশিয়া কাপ। এশিয়া মহাদেশের সেরা তারকাদের বিপরীতে খেলতে নামতো আফ্রিকা মহাদেশের সেরা খেলোয়াড়েরা।

২০০৫ সালে সেই টুর্নামেন্টে এশিয়া একাদশের স্কোয়াডে বাংলাদেশ থেকে সুযোগ পেয়েছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল ও মাশরাফি বিন মুর্তজা। তবে প্রথম ম্যাচে শুরু থেকে কারও নামই ছিল না একাদশে।
বোলিং শেষে আফ্রিকা একাদশের ছুঁড়ে দেওয়া ১৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নামে এশিয়া একাদশ। নেমেই শন পোলক ও জ্যাক ক্যালিসের বোলিং তোপে পড়ে এশিয়া একাদশ। পরবর্তীতে বোলিং বিভাগ থেকে মুত্তিয়া মুরালিধরণের বদলে চার নম্বরে ব্যাট করতে নামেন আশরাফুল।
এটিই ছিল প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে সুপার সাব হওয়ার নজির। তবে ভরসার প্রতিদান দিতে পারেননি আশরাফুল। শন পোলকের করা প্রথম বলেই হুক করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে বসেন তিনি। নামের পাশে যোগ হয় এক বিষাদময় গোল্ডেন ডাক। নাটকীয় সেই ম্যাচে এশিয়া একাদশ মাত্র ২ রানে হেরে যায়।











