সেইফার্টের ব্যাটে স্বপ্নভঙ্গ আফগানদের!

বিপর্যয় যখন ধেয়ে আসছে তখনই বুক চিতিয়ে দাঁড়ালেন টিম সেইফার্ট। ব্যাট হাতে গড়ে তুললেন প্রতিরোধ, আর সুযোগ পেলেই প্রতিআক্রমণের তীর ছুড়লেন আফগানিস্তানের দিকে। তাতেই সমস্ত সম্ভাবনা এক ইনিংসেই শেষ হলো আফগানদের। নিউজিল্যান্ড দাপটের সাথেই জিতল পাঁচ উইকেট হাতে রেখে।

বিপর্যয় যখন ধেয়ে আসছে তখনই বুক চিতিয়ে দাঁড়ালেন টিম সেইফার্ট। ব্যাট হাতে গড়ে তুললেন প্রতিরোধ, আর সুযোগ পেলেই প্রতিআক্রমণের তীর ছুড়লেন আফগানিস্তানের দিকে। তাতেই সমস্ত সম্ভাবনা এক ইনিংসেই শেষ হলো আফগানদের। নিউজিল্যান্ড দাপটের সাথেই জিতল পাঁচ উইকেট হাতে রেখে।

চেন্নাইয়ের চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। শুরুটা দেখেশুনেই করেন দুই ওপেনার। আসে ৩৫ রানের জুটি।

বড় ইনিংস খেলার আভাস দিচ্ছিলেন রাহমানউল্লাহ গুরবাজ, তবে ২৭ রানে যবনিকা পতন ঘটে তাঁর। পাওয়ার প্লে শেষে আফগানদের স্কোরকার্ডে জমা পড়ে দুই উইকেট হারিয়ে ৪৪ রান। সেখান থেকে ইনিংস গড়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন সেদিকুল্লাহ অটল এবং গুলবাদিন নায়িব। দুজনের ৭৯ রানের জুটিতে শক্ত অবস্থানে দাঁড়ায় আফগানরা।

গুলবাদিনের ব্যাট থেকে আসে ৩৫ বলে ৬৩ রানের অনবদ্য এক নক। তাতেই ১৮২ রানের বড় পুঁজি পায় রশিদ খানের দল। প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয় জয় তুলে নেওয়ার।

সেই সম্ভাবনা সময়ের সাথে আরও বাস্তব হয়ে ওঠে যখন ১৪ রানে পরপর দুই উইকেট হারিয়ে বসে নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের আকাশে কালো মেঘের ঘনঘটা তখন। সেখানেই অবশ্য আলো হয়ে আসেন গ্লেন ফিলিপস এবং টিম সেইফার্ট। শুরু করেন প্রতিআক্রমণ।

গড়ে ওঠে ৪৭ বলে ৭৪ রানের জুটি। ফিলিপস মাঝপথে ফিরে যান ঠিকই, তবে সেইফার্টের ব্যাট সহজ করে দেয় সবকিছু। ফিফটি তুলে নেন ঝড়ো গতিতে। শেষটাতে থামেন ৬৫ রানে। ওটাই স্বপ্ন ভেঙে দেয় আফগানদের। শেষ পর্যন্ত ১৩ বল আর পাঁচ উইকেট হাতে রেখে ১৮৩ রানের লক্ষ্য জয় করে ফেলে কিউইরা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Share via
Copy link