প্রথম টেস্টের প্রথম দিন বাংলাদেশের দখলে!

প্রথম সেশন ড্র, পরের দুটো বাংলাদেশের। বড় প্রাপ্তি সাদমান ইসলামের হার না মানা ৯৯ রানের ইনিংস। প্রথম টেস্টের প্রথম দিনটা তাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য হতাশারই। বিপরীতে বাংলাদেশের কাজটা হবে প্রথম দিনের সাফল্য থেকেই পরের দিনটা শুরু করা।

প্রথম সেশন ড্র, পরের দুটো বাংলাদেশের। বড় প্রাপ্তি সাদমান ইসলামের হার না মানা ৯৯ রানের ইনিংস। প্রথম টেস্টের প্রথম দিনটা তাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য হতাশারই। বিপরীতে বাংলাদেশের কাজটা হবে প্রথম দিনের সাফল্য থেকেই পরের দিনটা শুরু করা।

টস কয়েনটা বাংলাদেশের দিকেই পড়ে। নাজমুল হোসেন শান্তর সিদ্ধান্ত ব্যাট করার। পেছনের কারণটা সহজ, মিরপুরের এই উইকেটে চতুর্থ ইনিংসে ব্যাটিং করা এড়িয়ে যাওয়াটাই মূল লক্ষ্য। তবে চ্যালেঞ্জটাও কম নয়, বড় স্কোর করতে হবে প্রথম ইনিংসেই।

সেই লক্ষ্যে প্রথম ধাক্কা আসে তানজিদ তামিমকে হারিয়ে। নয় রানে প্রথম উইকেটের পতন শঙ্কা জাগায়। তবে এরপরই হাল ধরেন সাদমান ইসলাম, সঙ্গী হিসেবে মুমিনুলকে পান। ৫৯ রানের জুটি গড়ে ওঠে। এরপরই চিরায়ত ভুল শট খেলে ২৮ রানে সাজঘরে ফিরতে হয় মুমিনুলকে।

শান্তও ভালো শুরুর পর ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ। অগত্যা সব দায়দায়িত্ব পড়ে সাদমান আর তাওহিদ হৃদয়ের কাঁধে। দুজনে মিলে শক্ত ভিত গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। সাদমানও সেঞ্চুরির দিকে একটু একটু এগিয়ে যান।

তবে এরপরই বিপত্তি বাধে। প্রতিপক্ষের কোনো বোলারের অবদান ছাড়াই জুটি ভেঙে যায়। স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়েন তাওহিদ হৃদয়। এর আগে খেলে যান ৪২ রানের ইনিংস। পরের সময়টা বাগড়া দেয় আলোকস্বল্পতা। প্রায় ৫০ মিনিট খেলা বন্ধ রাখতে হয়।

ফিরে এসে সাদমান সেঞ্চুরি হাঁকাবেন। এমন ধারণা সবারই ছিল। তবে আবারও আলোকস্বল্পতায় শেষ হয় দিনের খেলা। পুরোটা দিনজুড়ে বীরত্ব দেখিয়েছেন, শেষ বেলায় অপূর্ণতা নিয়েই মাঠ ছেড়েছেন সাদমান। দিনের শেষভাগে আর কোনো বিপর্যয় অবশ্য ঘটেনি। দিন শেষ হয় ২১৩ রানে তিন উইকেট হারিয়ে। ৯৯ রানে অপরাজিত সাদমান, লিটন দাসও উইকেট আগলে রেখেছেন ১০ রান করে। সব মিলিয়ে দিনটা বাংলাদেশেরই অনুকূলে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link