ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের গ্লোবাল মানচিত্রে যেখানেই ভারতীয় বিনিয়োগের ছোঁয়া লাগছে, সেখানেই এক অদৃশ্য সুতোয় বন্দি হয়ে যাচ্ছে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ভাগ্য। ইংল্যান্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট ‘দ্যা হান্ড্রেড’ এর আসন্ন নিলামকে ঘিরেও এখন সেই একই মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে।
দ্যা হান্ড্রেডের আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে বর্তমানে চারটি ফ্র্যাঞ্চাইজিই ভারতীয় মালিকানাধীন। স্বাভাবিকভাবেই পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের দলে ভেড়াতে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে না এই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। যদিও মুখে কেউ এই অনাগ্রহের কথা স্বীকার করছেন না, তবে বিবিসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে এমনটাই উঠে এসেছে।
ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেছেন, ভারতীয় মালিকানা বহির্ভূত যে চারটি ফ্র্যাঞ্চাইজি রয়েছে, কেবল মাত্র সে সকল দলেই দেখে মেলবে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের।

অথচ গত আসরেও মোহাম্মদ আমির বা ইমাদ ওয়াসিমদের এই টুর্নামেন্টে দ্যুতি ছড়াতে দেখা গেছে। কিন্তু এবার ব্যক্তিগত বিনিয়োগের হাত ধরে যখন দলগুলোর আর্থিক কাঠামো আরও শক্তিশালী হচ্ছে, তখনই যেন এক অদৃশ্য দেওয়াল তুলে দেওয়া হচ্ছে ক্রিকেটারদের জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে।
দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ টোয়েন্টি কিংবা আরব আমিরাতের আইএল টি-টোয়েন্টি, সবখানেই দেখা যাচ্ছে একই চিত্র। যেখানেই ভারতীয় বিনিয়োগ, সেখানেই পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের শিকার হতে হচ্ছে বৈষম্যের।
নিলামের দীর্ঘ তালিকায় পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের নাম থাকলেও, তাদের ভবিষ্যৎ এখন ঝুলছে ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের সিদ্ধান্তের ওপর। ভারতীয় আধিপত্যের ফলে আইপিএল থেকে শুরু করে বিশ্বের অন্যান্য দামী লিগ গুলোতে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বৈষম্যের শিকার হওয়া পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের এবার কপাল পুড়তে যাচ্ছে দ্যা হান্ড্রেডেও।











