অযাচিত মন্তব্যের জন্য সতর্ক করা হলো শাদাবকে!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়েই পাকিস্তান দল এক অপ্রত্যাশিত উত্তাপে উত্তাল হয়ে উঠেছে। নামিবিয়ার বিপক্ষে জিতে সুপার এইট নিশ্চিত করেছিল পাকিস্তান। সে ম্যাচের নায়ক, শাদাব খান রীতিমতো একহাত নিয়েছিলেন সাবেক ক্রিকেটারদের। তাঁর জের ধরেই এবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড দিল সতর্কবার্তা। 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়েই পাকিস্তান দল এক অপ্রত্যাশিত উত্তাপে উত্তাল হয়ে উঠেছে। নামিবিয়ার বিপক্ষে জিতে সুপার এইট নিশ্চিত করেছিল পাকিস্তান। সে ম্যাচের নায়ক, শাদাব খান রীতিমতো একহাত নিয়েছিলেন সাবেক ক্রিকেটারদের। তাঁর জের ধরেই এবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড দিল সতর্কবার্তা।

ভারতের সঙ্গে ম্যাচ হারার পর চারিদিক থেকে সমালোচনা ধেয়ে আসতে থাকে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ওপর। সেই আগুনে ঘি ঢেলে দেন দেশটির সাবেকরা। যার বড় অংশ জুড়ে ছিল শাদাব খানের নাম। তবে নামিবিয়ার বিপক্ষে বাঁচা-মরার ম্যাচে মাঠে নেমেই নায়ক বনে যান।

ব্যাট হাতে মাত্র ২২ বলে ৩৬ রান করে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে আসা এই অলরাউন্ডার, বোলিংয়ে ৩-১৩ রানের চমক দেখিয়েছেন। এরপরই সেই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।

ম্যাচ শেষে টেলিভিশন প্যানেলে সাবেক খেলোয়াড়দের সমালোচনার জবাবে শাদাব বলেছেন, “সাবেক খেলোয়াড়দের নিজের মতামত আছে। তারা কিংবদন্তি ছিলেন, কিন্তু তারা যা করেছি তা করতে পারেননি। আমরা বিশ্বকাপে ভারতের মতো দলকে হারিয়েছি।” এই মন্তব্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চোখে সীমা লঙ্ঘনের সমান।

টেলিকম এশিয়া স্পোর্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দলের ম্যানেজার নাভেদ চিমা শাদাবকে ফোন করে সতর্ক করেছেন। তিনি বোর্ডের উদ্বেগ জানিয়ে বলেছেন, ‘শাদাব বুধবার রাতের প্রেস কনফারেন্সে তার সীমা অতিক্রম করেছেন। সাবেক খেলোয়াড়রা সম্মানিত কিংবদন্তি। শাদাবকে তাদের সম্মান করতে হবে এবং এমন ভাষা ব্যবহার করা উচিত নয়।’

রিপোর্ট অনুযায়ী, নাভেদকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অন্যান্য খেলোয়াড়দেরও সতর্ক করতে, যেন তারা জনসাধারণের সামনে মন্তব্য শুধুমাত্র ম্যাচের প্রসঙ্গে রাখে। বোর্ড জানিয়েছে, যদি কেউ সীমা অতিক্রম করে, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শাদাবের শ্বশুর সাকলাইন মুস্তাকও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই মন্তব্যগুলো অনাকাঙ্ক্ষিত। বেশির ভাগ খেলোয়াড় আমার সঙ্গে খেলেছে। আমি একজন যে কোনো আইসিসি ইভেন্ট জিতিনি, তবে পাকিস্তানের জন্য বড় ম্যাচ জিতেছি—টেস্ট ও ওয়ানডেতে।’

সবমিলিয়ে এক শোরগোল বেধেছে পাকিস্তান শিবিরে। সুপার এইটের বাড়তি চ্যালেঞ্জের সাথে যোগ হয়েছে বাড়তি চাপ। এখন দেখার খেলোয়াড়রা সেই চাপ ছাপিয়ে দলকে সম্মানজনক অবস্থায় নিয়ে যেতে পারে কি না।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link