সুযোগের সদ্ব্যবহার করলেন ইফতিখার!

দলে ঢুকলেও নিজেকে প্রমাণের খুব বেশি সুযোগ মেলেনি। তবে এবার মিলেছে, তবে সেটা বল হাতে। আর সেখানেই ইফতিখারের বাজিমাত, হায়দ্রাবাদ কিংসম্যানের ব্যাটিং অর্ডার তাঁর ঘূর্ণিতেই যে কুপোকাত।

প্রথম দুই ম্যাচে পেশোয়ার জালমি বসিয়ে রেখেছিল ইফতিখার আহমেদকে। টিম কম্বিনেশন, অবজ্ঞা কিংবা অবহেলা, যেকোনো কিছুই ধরে নেওয়া যায়। এরপর দলে ঢুকলেও নিজেকে প্রমাণের খুব বেশি সুযোগ মেলেনি। তবে এবার মিলেছে, তবে সেটা বল হাতে। আর সেখানেই ইফতিখারের বাজিমাত, হায়দ্রাবাদ কিংসম্যানের ব্যাটিং অর্ডার তাঁর ঘূর্ণিতেই যে কুপোকাত।

হায়দ্রাবাদের সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না নিজেদের প্রথম আসরে। তার উপরই বিবর্ণতার প্রলেপটা আরও একবার এটে দিলেন ইফতিখার। বল হাতে তাঁর এমন ভয়ানক রূপটা যে অচেনাই বইকি।

দুই প্রান্তে দুই বাঁহাতি ব্যাটার নামিয়েছিল হায়দ্রাবাদ। এ কারণেই কাপ্তান বাবর আজম অফ স্পিনারের খোঁজ করলেন। আর নজর পড়ল ইফতিখারের ওপর। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই বল হাতে তুলে দেওয়া হলো তাঁর। ওভারেই শেষ বলেই নিজের ভেলকি দেখালেন তিনি, তুলে নিলেন মাঈজ সাদাকাতকে।

সফলতা তাঁকে ফিরিয়ে আনতে বাধ্য করল, আবারও। তবে এবার যা করলেন তা সেটা বোধহয় কেউ কল্পনাতেও আনেনি। সাইম আইয়ুব আর উসমান খান, পরপর দুই ব্যাটারকে দেখালেন সাজঘরের পথ। হ্যাটট্রিকের সুবর্ণ সুযোগ সামনে উদিত হলেও সেটাকে আটকে দেন মার্নাস লাবুশানে। তাতে অবশ্য দমে যাননি ইফতিখার। ওভারের শেষ বলে আবারও হানা দিলেন, এবার শিকার শারজিল খান। তিন উইকেট এক ওভারে, তাও আবার দুই রান খরচায়, অবিশ্বাস্য না বলে উপায় কী?

হায়দ্রাবাদের প্রথম চার ব্যাটারকে নিজের করা প্রথম দুই ওভারের মধ্যে সাজঘরে পাঠিয়েছেন। এরপর আর সফলতা না পেলেও চার ওভার শেষে খরচ করেছেন মাত্র ২১ রান। সুযোগ পেয়ে গেলে সেটাকে কীভাবে কাজে লাগাতে হয়, ইফতিখার সেটা দেখিয়ে দিলেন আরও একবার।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link