জাতীয় দলে ফেরার অপেক্ষা বাড়ছে হাসানের!

প্রায় এক মাসের লম্বা ছুটি নিয়েছেন হাসান। যদিও ছুটি শেষ হওয়ার পরেও জাতীয় দলের হয়ে ফেরার জন্য হয়তো আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে তাঁকে।

বাংলাদেশের ক্রিকেটে পেস বোলাররা যে নতুন বিবর্তনের জন্ম দিয়েছেন, হাসান মাহমুদ তার অন্যতম এক সেনানী। গত কয়েক বছর ধরে লাল–সবুজের জার্সি গায়ে ধারাবাহিকতার আলো ছড়ালেও, দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে ইনজুরির আঁধারে ঢাকা পড়েছেন এই ডানহাতি পেসার। টেনিস এলবোর চোট কাটিয়ে তিনি এখন ফেরার লড়াইয়ে মগ্ন, যার সমাপ্তি হয়তো ঘটবে না খুব দ্রুত।

একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশের ক্রিকেটে পেস বোলারদের ভাবা হতো শুধুই এক পার্শ্বচরিত্র। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে দৃশ্যপট বদলেছে। তরুণ একঝাঁক গতি তারকা এখন নিয়মিত প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের মনে ত্রাস ছড়াচ্ছেন। সুইং আর গতির নিখুঁত মেলবন্ধনে হাসান মাহমুদ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই নতুন পেস বিপ্লবের অন্যতম কাণ্ডারি হিসেবে। 

মাঠের সেই চেনা হুঙ্কার থেকে দূরে থাকা এই গতি তারকা বর্তমানে ঈদের ছুটিতে রয়েছেন সুদূর লন্ডনে। তবে এই ছুটি কেবলই বিশ্রামের নয়, বরং নিজের জীবনসঙ্গীকে পাশে নিয়ে এক নতুন উদ্যমে ফেরার প্রস্তুতি। চিকিৎসকের পরামর্শে লন্ডনের মাটিতেই নিজের রিহ্যাব পরিকল্পনা অনুযায়ী নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছেন এই ডানহাতি পেসার।

প্রায় এক মাসের লম্বা ছুটি নিয়েছেন হাসান। যদিও ছুটি শেষ হওয়ার পরেও জাতীয় দলের হয়ে ফেরার জন্য হয়তো আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে তাঁকে। ইনজুরি পরবর্তী ক্রিকেটে হাসানকে ফিরতে হবে ভীষণ সতর্কতায়। অতিরিক্ত ওয়ার্কলোড বিবেচনা করে টিম ম্যানেজমেন্ট সম্ভবত তাঁকে দলে নিতে সময় নিবে আরও কিছুদিন। 

এই বাস্তবতায় ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে হয়তো দর্শক মিস করবেন হাসানের গতিঝড়। অজি সিরিজ মিস করলেও, পুনর্বাসন শেষে হাসান যখন আবার ২২ গজে রান-আপ নেবেন, তখন গ্যালারি মেতে উঠবে এক উল্লাসে। প্রতিপক্ষ ব্যাটারের স্টাম্প উপড়ে নিজেকে আবারও নতুন করে চেনাবেন তিনি। 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link