বিশ্বকাপের আগে ঝড় তুলল ‘রিপ দ্য স্ক্রিপ্ট’

নাইকি এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—ফুটবল শুধু নিয়মের খেলা নয়, বরং স্বাধীনতা, সাহস ও সৃজনশীলতার প্রতিচ্ছবি।

বিশ্বকাপের আগে ফুটবল দুনিয়ায় নতুন করে আলোচনার ঝড় তুলেছে নাইকির বহুল আলোচিত ক্যাম্পেইন ‘রিপ দ্য স্ক্রিপ্ট’। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর অফিসিয়াল পেজে ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ।

প্রায় ছয় মিনিটের এই সিনেমাটিক বিজ্ঞাপনটি ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে ফুটবলকে দেখানো হয়েছে প্রচলিত নিয়ম ভাঙার এক সাহসী মঞ্চ হিসেবে।

ক্যাম্পেইনের মূল ধারণা হলো—‘স্ক্রিপ্ট’ বা নির্ধারিত নিয়ম ভেঙে খেলোয়াড়দের স্বাভাবিক ইনস্টিংক্ট ও সৃজনশীলতাকে মুক্তভাবে প্রকাশ করা। ভিডিওতে দেখা যায় একটি হলিউড স্টুডিও সেট, যেখানে শুরুতে খেলোয়াড়দের নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী খেলতে বলা হয়।

কিন্তু, ধীরে ধীরে তারা সেই বাধা অতিক্রম করে নিজেদের মতো করে আক্রমণাত্মক ও উদ্ভাবনী ফুটবল খেলতে শুরু করে, আর সেখান থেকেই শুরু হয় আসল উত্তেজনা।

এই প্রজেক্টে অংশ নিয়েছেন বর্তমান ও সাবেক ফুটবল তারকাদের বিশাল এক দল। বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে ছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, কিলিয়ান এমবাপ্পে, আর্লিং হালান্ড, ভিনিসিয়াস জুনিয়র, ব্রুনো ফার্নান্দেস, কোল পামার, জামাল মুসিয়ালা, নিকো উইলিয়ামস এবং আলফোনসো ডেভিসসহ আরও অনেকে। সাবেক কিংবদন্তিদের মধ্যে ছিলেন রোনালদিনহো,  ইব্রাহিমোভিচ, দিদিয়ের দ্রগবা, এরিক কান্টোনা ও হোর্হে ক্যাম্পোস।

ফুটবলের বাইরে এই বিজ্ঞাপনে যুক্ত হয়েছেন বিশ্ববিখ্যাত বিনোদন তারকারাও—চ্যানিং টেটাম, লেব্রন জেমস, ট্র্যাভিস স্কট, লিসা এবং কিম কার্দাশিয়ানসহ অনেকেই, যা ক্যাম্পেইনটিকে আরও বৈশ্বিক ও পপ কালচার-সমৃদ্ধ করেছে।

ভিডিওর বিভিন্ন দৃশ্য ইতিমধ্যেই ভাইরাল। এমবাপ্পের চমকপ্রদ বাইসাইকেল কিক, রোনালদোর বিস্ফোরণের মাঝ দিয়ে দৌড়ানো এবং হালান্ড-চ্যানিং টেটামের হাস্যরসাত্মক মুহূর্ত দর্শকদের নজর কেড়েছে। অন্যদিকে ইব্রাহিমোভিচ তাঁর স্বভাবসুলভ আত্মবিশ্বাস দিয়ে আলাদা মাত্রা যোগ করেছেন।

নাইকি এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—ফুটবল শুধু নিয়মের খেলা নয়, বরং স্বাধীনতা, সাহস ও সৃজনশীলতার প্রতিচ্ছবি।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link