এই বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিকের ক্লাবে এতদিন একা ছিলেন লিওনেল মেসি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে সেই অবিশ্বাস্য কীর্তি গড়ে আরও একবার প্রমাণ করেছিলেন কেন তিনি সর্বকালের সেরা। কিন্তু ভ্যানকুভারের এই রাতে সেই একচেটিয়া ক্লাবে নতুন সদস্য হলেন জোনাথান ডেভিড — ২০২৬ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক এখন তার নামে লেখা।
শুরুটা হয়েছিল ২৯ মিনিটে। তাজন বুকানানের প্রচেষ্টা থেকে বল পেয়ে কাতারের জাল কাঁপালেন ডেভিড — প্রথম গোল। কাতার তখনও সামলে ওঠার চেষ্টা করছে, কিন্তু প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে লারিনের সহায়তায় আবারও আঘাত হানলেন তিনি। দ্বিতীয় গোল। বিরতিতে যাওয়ার আগেই কানাডা ৩-০ এগিয়ে, আর ডেভিড তখন হ্যাটট্রিকের পথে।
দ্বিতীয়ার্ধে নাথান সিলভা ব্যবধান আরও বাড়ালেন, তারপর কাতারের মোহাম্মদ মানাইয়ের আত্মঘাতী গোলে স্কোর হলো ৫-০। কাতার তখন পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। আর নব্বই মিনিটের শেষ প্রান্তে ডেভিড তৃতীয় গোলটি করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করলেন। ৬-০ — সংখ্যাটাই বলে দেয় কতটা একতরফা ছিল এই ম্যাচ।

তবে এই রাতের সবচেয়ে বড় গল্প শুধু হ্যাটট্রিক নয়, শুধু ৬-০ জয়ও নয়। কানাডা আজ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো জয়ের স্বাদ পেয়েছে — বছরের পর বছর ধরে বহন করে আসা সেই অপেক্ষার অবসান হলো আজ এই ভ্যানকুভারেই। আর সেই ঐতিহাসিক রাতের কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছেন জোনাথান ডেভিড।
মেসির পাশে নাম লেখানো হয়তো একটা কাকতালীয় সংযোগ, কিন্তু কানাডার কোটি সমর্থকের কাছে আজকের এই রাতে ডেভিডই একমাত্র নায়ক।











