বিশ্বকাপে কি প্রথম জয়ের দেখা পাবে ফেভারিটের তকমা গায়ে দেওয়া স্পেন, নাকি কেপ ভার্দের মতো সৌদি আরবও থামিয়ে দেবে এই ইউরোপজয়ীদের? আগের ম্যাচে যেখানে দুই দলই ড্র করেছিল, তাই দ্বিতীয় ম্যাচে ইউরোপ আর এশিয়ার দুদল মাঠে নামবে অতিরিক্ত চাপ নিয়ে।
আসরের প্রথম ম্যাচে কেপ ভার্দের রক্ষণব্যুহ ভাঙতে না পেরে গোলশূন্য ড্রয়ে পয়েন্ট হারিয়েছিল লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। মাঠের সেই নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের পর ছন্দে ফিরতে মরিয়া সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শিরোপার দাবিদার হিসেবে যাত্রা শুরু করা স্পেন এখন আছে তীব্র চাপের মুখে। রাউন্ড অব থার্টি-টু নিশ্চিত করতে স্পেনের এখন চাই এক দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন।
স্পেনের আক্রমণাত্মক ধার ফিরিয়ে আনতে শুরু থেকেই দেখা যাবে ক্ষুদে জাদুকর লামিন ইয়ামালকে। গত বিশ্বকাপের চ্যম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে হারানো সৌদি আরবের রক্ষণভাগকে পরাস্ত করতে লামিনের উপস্থিতি অনেক কাজে লাগবে স্পেনের।

বিপরীত দিকে, প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী উরুগুয়ের সাথে ১-১ গোলে ড্র করে আত্মবিশ্বাসে ফুটছে ‘গ্রিন ফ্যালকন’ খ্যাত সৌদি আরব। আগের ম্যাচে নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে এশিয়ার এই দল প্রমাণ করেছে, বিশ্বমঞ্চে যেকোনো পরাশক্তিকে চমকে দেওয়ার মতো লড়াকু মানসিকতা তাদের স্কোয়াডে মজুদ রয়েছে। স্পেনের বিপক্ষে অন্তত ড্র করতে পারলেই দ্বিতীয় পর্বের পথে অনেকটাই এগিয়ে যাবে তাঁরা।
পরিসংখ্যান অবশ্য স্পেনের পক্ষেই কথা বলছে। এর আগে ২০০৬ বিশ্বকাপের একমাত্র দেখায় সৌদিকে হারিয়েছিল জিতেছিল স্প্যানিয়ার্ডরা। তবে স্পেনের রক্ষণভাগে ফাটল ধরাতে প্রস্তুত সৌদি আরবের আক্রমণভাগ। যদিও, এই ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়াটাও তাদের জন্য লাভজনক হবে। তাতে গ্রুপের দুই শক্তিশালী দল উরুগুয়ে আর স্পেনের বিরুদ্ধে পয়েন্ট হারাতে হবে না তাদেরকে।
গ্রুপের এইচের সব দলের পয়েন্ট এখন সমান, মাত্র এক করে। স্পেন-সৌদি আরব ম্যাচের ফলাফল তাই ভাগ্য নির্ধারণ করবে নকআউটে যাওয়ার পথে। নিজেদের প্রথম ম্যাচের ড্রয়ের বৃত্ত থেকে বের হতে স্পেন তাই মরিয়া হয়ে খেলবে জয়ের জন্যে, আর, না হারার লক্ষ্যে মাঠে নামবে সৌদি আরব।











