বিদেশি লিগে পাকিস্তানের ১৪ ক্রিকেটারকে ছাড়পত্র

জুলাই-আগস্টের ব্যস্ত সূচিকে সামনে রেখে একসঙ্গে ১৪ ক্রিকেটারকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

বিদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্টগুলো আবারও জমে উঠতে চলেছে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের উপস্থিতিতে। জুলাই-আগস্টের ব্যস্ত সূচিকে সামনে রেখে একসঙ্গে ১৪ ক্রিকেটারকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ফলে ক্যারিবীয় অঞ্চলে হতে যাওয়া দুটি বড় টি-টোয়েন্টি আসরে দেখা যাবে পাকিস্তানের পরিচিত ও উদীয়মান মুখগুলোকে।

পিসিবির অনুমতি পাওয়া ক্রিকেটাররা হলেন: মোহাম্মদ হারিস, শাহাব খান, মোহাম্মদ নাঈম, আবদুল্লাহ শফিক, ফারহান ইউসুফ, শামিল হুসাইন, মেহরান মুমতাজ, উসমান খান, আলি শাব্বির, মোহাম্মদ ফারুক, মোহাম্মদ ইমরান, মোহাম্মদ বাসিত, খলিল আহমেদ এবং মাজ সাদাকাত। এর মধ্যে প্রথম ১৩ জন খেলবেন ২০২৬ গ্লোবাল সুপার লিগে (জিএসএল), আর মাজ সাদাকাত অংশ নেবেন ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল)।

২৩ জুলাই থেকে ১ আগস্ট পর্যন্ত গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে পাঁচ দলের গ্লোবাল সুপার লিগ। টুর্নামেন্টে পাকিস্তান সুপার লিগের চ্যাম্পিয়ন লাহোর কালান্দার্সের সঙ্গে লড়বে অস্ট্রেলিয়ার পার্থ স্কর্চার্স, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ডেজার্ট ভাইপার্স, যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো ইউনিকর্নস এবং স্বাগতিক গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স।

লাহোর কালান্দার্স ২৩ জুলাই পার্থ স্কর্চার্সের বিপক্ষে অভিযান শুরু করবে। এরপর ২৪ জুলাই ডেজার্ট ভাইপার্স, ২৬ জুলাই গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স এবং ২৯ জুলাই সান ফ্রান্সিসকো ইউনিকর্নসের মুখোমুখি হবে তারা। এনওসি পাওয়া ক্রিকেটারদের মধ্যে আবদুল্লাহ শফিক, মোহাম্মদ নাঈম ও মোহাম্মদ ফারুকের লাহোর কালান্দার্সের হয়ে খেলা নিশ্চিত হয়েছে। তবে বাকি ক্রিকেটাররা কোন দলে খেলবেন, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

 

এদিকে ৭ আগস্ট থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজজুড়ে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সিপিএল। এবার প্রথমবারের মতো সাত দল নিয়ে মাঠে গড়াবে টুর্নামেন্টটি।

অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডা ফ্যালকন্স, বার্বাডোজ রয়্যালস, জ্যামাইকা কিংসম্যান, গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স, সেন্ট লুসিয়া কিংস, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস প্যাট্রিয়টস এবং বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স শিরোপার লড়াইয়ে নামবে। সেই মঞ্চেই পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে নিজের সামর্থ্য প্রমাণের সুযোগ পাবেন মাজ সাদাকাত।

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link