এক গোলেই ভাইরাল কাবরাল-ক্রুজ জুটি!

প্রতিপক্ষ নয়, ট্রফিও নয়—কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার সিডনি লোপেস কাবরালের লক্ষ্য ছিল গ্যালারিতে বসে থাকা প্রিয় মানুষটি। সেই মুহূর্তেই ২০২৬ বিশ্বকাপ পেল সবচেয়ে আলোচিত প্রেমের গল্প।

একটি গোল, তারপর দীর্ঘ দুই মিনিটের উন্মাতাল ছুটে চলা। প্রতিপক্ষ নয়, ট্রফিও নয়—কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার সিডনি লোপেস কাবরালের লক্ষ্য ছিল গ্যালারিতে বসে থাকা প্রিয় মানুষটি। সেই মুহূর্তেই ২০২৬ বিশ্বকাপ পেল সবচেয়ে আলোচিত প্রেমের গল্প।

আর্জেন্টিনার বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে ২-২ সমতাসূচক অসাধারণ গোল করেন কাবরাল। গোলের পরই তিনি নিরাপত্তা বেষ্টনী উপেক্ষা করে ছুটে যান দর্শকাসনের দিকে।

টেলিভিশন ক্যামেরা, ম্যাচ কর্মকর্তা, নিরাপত্তারক্ষী—সবার অনুরোধ উপেক্ষা করে তিনি খুঁজতে থাকেন নিজের প্রেমিকা জেলি দা ক্রুজকে। যেন রকি চলচ্চিত্রের শেষ দৃশ্যে অ্যাড্রিয়ানকে খুঁজে বেড়ানো রকিরই বাস্তব সংস্করণ।

অবশেষে জেলি এসে পৌঁছালে দুজনের আবেগঘন আলিঙ্গনে শেষ হয় প্রায় দুই মিনিটের সেই উদযাপন। বিশ্বকাপের মঞ্চে এমন দীর্ঘ ও ব্যতিক্রমী গোল উদযাপন মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। যদিও শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ফল কেপ ভার্দের পক্ষে যায়নি, তবু আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন কাবরাল।

এরপরই সামনে আসে জেলি দা ক্রুজের পরিচয়। তিনি একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর। যোগাযোগ ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্নাতক এই তরুণী নিজের ইনস্টাগ্রামে কাবরালের গোলের ভিডিও শেয়ার করে লেখেন, “এর চেয়ে বেশি গর্বিত আমি কখনোই অনুভব করিনি।” সেই একটি পোস্টের পরই দ্রুত বাড়তে থাকে দুজনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারীর সংখ্যা।

ম্যাচ শেষে কাবরাল বলেন, “আমি তখন কী করছি, নিজেই বুঝতে পারছিলাম না। এমন টুর্নামেন্টে এমন গোল করব, কখনো ভাবিনি। আমাদের আরও ভালো ফল প্রাপ্য ছিল। আফসোস থাকলেও চার বছর পর আবার ফিরব।”

কেপ ভার্দের জার্সিতে খেললেও কাবরালের জন্ম নেদারল্যান্ডসে। আর সেই আবেগময় উদযাপনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তাঁকে নতুন এক নামে ডাকতে শুরু করেছেন—‘দ্য লাস্ট রোমান্টিক’।

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link